আরো ৩ জন পেলেন গানম্যান, বিবেচনায় রয়েছেন শফিকুর রহমান

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম এবং গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি সরকারের থেকে অস্ত্রধারী দেহরক্ষী বা গানম্যান পেয়েছেন। একই সঙ্গে মেহেরপুর-১ আসন থেকে বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী মাসুদ অরুণও গানম্যানের সুবিধা পেয়েছেন। রাজনৈতিক নেতাদের আবেদন যাচাই-বাছাই করার পর গত ৭ জানুয়ারি এই তিনজনকে গানম্যান প্রদানের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সদর দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অন্যদিকে, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি কর্ণেল (অব.) অলি আহমদ-এর দেহরক্ষী পাওয়ার আবেদন নাকচ করা হয়েছে। এছাড়া, স্বতন্ত্র সংসদ প্রার্থী মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইন (হিরু)-ও গানম্যান পাননি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, নিরাপত্তা দেওয়ার ক্ষেত্রে ঢালাও নয়, নির্বাচন প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর আরও কয়েকজন রাজনীতিবিদকে দেহরক্ষী দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হতে পারে। এছাড়া, আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রায় ২০ জন রা

আরো ৩ জন পেলেন গানম্যান, বিবেচনায় রয়েছেন শফিকুর রহমান

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম এবং গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি সরকারের থেকে অস্ত্রধারী দেহরক্ষী বা গানম্যান পেয়েছেন। একই সঙ্গে মেহেরপুর-১ আসন থেকে বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী মাসুদ অরুণও গানম্যানের সুবিধা পেয়েছেন।

রাজনৈতিক নেতাদের আবেদন যাচাই-বাছাই করার পর গত ৭ জানুয়ারি এই তিনজনকে গানম্যান প্রদানের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সদর দপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

অন্যদিকে, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি কর্ণেল (অব.) অলি আহমদ-এর দেহরক্ষী পাওয়ার আবেদন নাকচ করা হয়েছে। এছাড়া, স্বতন্ত্র সংসদ প্রার্থী মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইন (হিরু)-ও গানম্যান পাননি।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, নিরাপত্তা দেওয়ার ক্ষেত্রে ঢালাও নয়, নির্বাচন প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর আরও কয়েকজন রাজনীতিবিদকে দেহরক্ষী দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হতে পারে। এছাড়া, আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রায় ২০ জন রাজনীতিবিদ অস্ত্রের লাইসেন্স এবং দেহরক্ষীর জন্য আবেদন করেছিলেন। দলের পক্ষ থেকেও নিরাপত্তার ব্যবস্থা চাওয়া হয়েছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ও অলি আহমদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না, তাই তাদের নিরাপত্তার ঝুঁকি নেই; পুলিশের বিশেষ ব্রাঞ্চও নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই বলে মতামত দেয়নি। শাখাওয়াত হোসাইনের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি নেই বলে মনে করা হচ্ছে।

গত ১৪ ডিসেম্বর ‘রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থীদের অনুকূলে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও রিটেইনার নিয়োগ নীতিমালা-২০২৫’ জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীদের জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ও সশস্ত্র রক্ষী নিয়োগে এই নীতিমালা করা হয়। নীতিমালা জারির পর থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন বাড়তে থাকে।

জামায়াতের আমির শফিকুর রহমানের জন্য সার্বক্ষণিক দেহরক্ষী ও বাসভবনের নিরাপত্তার জন্য পোশাকধারী সশস্ত্র পুলিশ সদস্য চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয় ১৭ ডিসেম্বর। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

নিরাপত্তা চাওয়া রাজনীতিবিদদের মধ্যে আরও রয়েছেন বিএনপি মনোনীত মেহেরপুর-১ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী মাসুদ অরুণ, গোপালগঞ্জ-১ আসনের সেলিমুজ্জামান সেলিম ও গোপালগঞ্জ-৩ আসনের এস এম জিলানী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব ইউনুস আহম্মেদ সেখ প্রমুখ। ঢাকা-৪ আসনের (যাত্রাবাড়ী) বিএনপি মনোনীত সম্ভাব্য প্রার্থী তানভীর আহমেদ (রবিন) ও পাবনা-৩ আসনের হাসান জাফির তুহিন চেয়েছেন আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স।

সরকারের কাছে অস্ত্রধারী দেহরক্ষী চেয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে অব্যাহতি পাওয়া নেতা মুনতাসির মাহমুদ। এনসিপির উত্তরাঞ্চলের কয়েকজন নেতাও একই আবেদন করেছেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ব্যক্তিগত অস্ত্র বা দেহরক্ষী দেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল। আসলেই নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে কি না, তা যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে গোয়েন্দা সংস্থার মতামত নেওয়ার পর সিদ্ধান্ত নিচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow