আ.লীগের দুপক্ষের দ্বন্দ্বের জেরে ট্রাকে আগুন
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় বাঙ্গালী নদীর অবৈধ বালু মহাল দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দুপক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়-ক্ষতির দাবি করা হয়েছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে উপজেলার নিমগাছি-নাংলু গ্রামের চর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিমগাছি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেনের নেতৃত্বে একটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে বাঙ্গালী নদীর চরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রি করে আসছিল। তবে বালু মহালের নিয়ন্ত্রণ ও অর্থ বণ্টন নিয়ে কয়েক মাস ধরে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার রাতে ইব্রাহিম হোসেনের লোকজন খননযন্ত্র দিয়ে চর থেকে বালু কেটে ট্রাকে তুলছিলেন। এ সময় একই এলাকার আওয়ামী লীগকর্মী মজনু আলম, শামীম হোসেন ও জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে আরেকটি পক্ষ হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। হামলাকারীরা বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত একটি খননযন্ত্র ও দুটি ট্রাক ভাঙচুর করে। পাশাপাশি একটি ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া বালু মহালের অস্থায়ী অফিস কক্ষও ভাঙচুর করা
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় বাঙ্গালী নদীর অবৈধ বালু মহাল দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দুপক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়-ক্ষতির দাবি করা হয়েছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টার দিকে উপজেলার নিমগাছি-নাংলু গ্রামের চর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিমগাছি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেনের নেতৃত্বে একটি পক্ষ দীর্ঘদিন ধরে বাঙ্গালী নদীর চরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রি করে আসছিল। তবে বালু মহালের নিয়ন্ত্রণ ও অর্থ বণ্টন নিয়ে কয়েক মাস ধরে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।
সোমবার রাতে ইব্রাহিম হোসেনের লোকজন খননযন্ত্র দিয়ে চর থেকে বালু কেটে ট্রাকে তুলছিলেন। এ সময় একই এলাকার আওয়ামী লীগকর্মী মজনু আলম, শামীম হোসেন ও জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে আরেকটি পক্ষ হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে।
হামলাকারীরা বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত একটি খননযন্ত্র ও দুটি ট্রাক ভাঙচুর করে। পাশাপাশি একটি ট্রাকে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া বালু মহালের অস্থায়ী অফিস কক্ষও ভাঙচুর করা হয়েছে।
খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ধুনট থানা পুলিশ।
থানার ওসি আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে একজন উপপরিদর্শক (এসআই) পাঠানো হয়েছিল। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
What's Your Reaction?