আ.লীগ ও ছাত্রলীগের ১০ নেতাকর্মী কারাগারে
জামালপুরের ইসলামপুরে আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ১০ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার (০৬ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় জামালপুরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক মোস্তাফিজুর রহমান শুনানি শেষে আসামিদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তারা হলেন— ইসলামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নূরে আজাদ ইমরান, সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন সুমন, কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মো. শাওন সরকার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মাহাবুব হোসেন (মেজার মেম্বার), ছাত্রলীগ কর্মী মো. জিয়া, গোয়ালের চর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রহিম দালাল, আওয়ামী লীগ কর্মী রিপন, রবিজল হক, সাইফুল ইসলাম ফারাজী এবং তামশা লক্ষ্মী। জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর ইসলামপুর উপজেলার গোয়ালেরচর সভারচর গ্রামের মো. হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ইসলামপুর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা করেন। সেই মামলায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১২৮ নেতাকর্মী রয়েছেন। এছাড়াও মামলায় ২০০/২২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। ইসলামপুর থানা পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। আসামিরা জামিন
জামালপুরের ইসলামপুরে আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ১০ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
সোমবার (০৬ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় জামালপুরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক মোস্তাফিজুর রহমান শুনানি শেষে আসামিদের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
তারা হলেন— ইসলামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নূরে আজাদ ইমরান, সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন সুমন, কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মো. শাওন সরকার, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক মাহাবুব হোসেন (মেজার মেম্বার), ছাত্রলীগ কর্মী মো. জিয়া, গোয়ালের চর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রহিম দালাল, আওয়ামী লীগ কর্মী রিপন, রবিজল হক, সাইফুল ইসলাম ফারাজী এবং তামশা লক্ষ্মী।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর ইসলামপুর উপজেলার গোয়ালেরচর সভারচর গ্রামের মো. হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ইসলামপুর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা করেন। সেই মামলায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১২৮ নেতাকর্মী রয়েছেন। এছাড়াও মামলায় ২০০/২২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
ইসলামপুর থানা পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। আসামিরা জামিন চেয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করলে জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠান বিচারক।
কোর্ট পরিদর্শক মো. আবুল হোসেন বলেন, নাশকতার মামলায় আসামিরা দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। সোমবার আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত না মঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠান।
What's Your Reaction?