আ.লীগ নেতা এনু-রুপনের ১০ বছরের কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে করা ওয়ারী থানার মামলায় আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা এনামুল হক এনু ও তার ভাই রুপন ভূঁইয়াকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডের পাশাপাশি তাদের ৬৪ কোটি ৬২ লাখ জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও ৬ মাসের কারাভোগ করতে হবে বলে বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন। বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক নূরে আলম ভূঞা এ রায় ঘোষণা করেন। অপরদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের আট সহযোগীকে খালাস দিয়েছেন আদালত। সংশ্লিষ্ট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর পিপি মো. সেলিম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে ২০২৫ সালের ৩০ জানুয়ারি অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনে করা মামলায় এনামুল হক এনু ও তার ভাই রুপন ভূঁইয়াকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মাসুদ পারভেজ। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের ৩৪ লাখ ২৬ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা করা হয়। আদালত সূত্রে জানা যায়, অবৈধ উপায়ে অর্জিত ২৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা আড়াল করার জন্য গোপনে হেফাজতে রাখার অভিযোগে রাজধানীর ওয়ারী থানায় ২০২০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি র‍্যাব-৩ এর নায়েব সুবেদার রমজান আলী বাদী হয়ে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের কর

আ.লীগ নেতা এনু-রুপনের ১০ বছরের কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে করা ওয়ারী থানার মামলায় আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা এনামুল হক এনু ও তার ভাই রুপন ভূঁইয়াকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডের পাশাপাশি তাদের ৬৪ কোটি ৬২ লাখ জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও ৬ মাসের কারাভোগ করতে হবে বলে বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন।

বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক নূরে আলম ভূঞা এ রায় ঘোষণা করেন। অপরদিকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের আট সহযোগীকে খালাস দিয়েছেন আদালত। সংশ্লিষ্ট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর পিপি মো. সেলিম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে ২০২৫ সালের ৩০ জানুয়ারি অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনে করা মামলায় এনামুল হক এনু ও তার ভাই রুপন ভূঁইয়াকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মাসুদ পারভেজ। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের ৩৪ লাখ ২৬ হাজার ৬০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, অবৈধ উপায়ে অর্জিত ২৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা আড়াল করার জন্য গোপনে হেফাজতে রাখার অভিযোগে রাজধানীর ওয়ারী থানায় ২০২০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি র‍্যাব-৩ এর নায়েব সুবেদার রমজান আলী বাদী হয়ে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ২০২১ সালের ৮ আগস্ট এনু-রুপন ও তাদের ৮ সহযোগীকে আসামি করে অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে ২০২২ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে ১৩ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow