আলোচনার কথা বললেও গোপনে নীল নকশা সাজাচ্ছে শত্রুরা : ইরান
আলোচনার কথা বললেও ‘গোপনে শত্রুরা নীল নকশা সাজাচ্ছে’ বলেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের ৩০ দিন পূর্তি উপলক্ষে তিনি এ কথা বলেন।
রোববার (২৯ মার্চ) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, শত্রুপক্ষ প্রকাশ্যে আলোচনার সংকেত দিলেও গোপনে স্থল হামলার পরিকল্পনা করছে। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র একটি ১৫ দফা প্রস্তাবের মাধ্যমে তাদের ইচ্ছা চাপিয়ে দিতে চাইছে এবং যুদ্ধে যা অর্জন করতে পারেনি, তা আলোচনার মাধ্যমে আদায়ের চেষ্টা করছে।
গালিবাফ বলেন, ইরানের সামরিক বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। মার্কিন সেনারা স্থলপথে প্রবেশ করলে তাদের ওপর কঠোর আঘাত হানা হবে।
আত্মসমর্পণের প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ইরান কখনোই অপমানজনক কোনো শর্ত মেনে নেবে না এবং এ বিষয়ে তাদের অবস্থান পরিষ্কার।
এদিকে ইরান ইস্যুতে বেঠকে বসছে প্রভাবশালী চার মুসলিম দেশ। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এ বৈঠকে আয়োজন করা হয়েছে।
রোববার (২৯ মার্চ) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক
আলোচনার কথা বললেও ‘গোপনে শত্রুরা নীল নকশা সাজাচ্ছে’ বলেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের ৩০ দিন পূর্তি উপলক্ষে তিনি এ কথা বলেন।
রোববার (২৯ মার্চ) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, শত্রুপক্ষ প্রকাশ্যে আলোচনার সংকেত দিলেও গোপনে স্থল হামলার পরিকল্পনা করছে। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র একটি ১৫ দফা প্রস্তাবের মাধ্যমে তাদের ইচ্ছা চাপিয়ে দিতে চাইছে এবং যুদ্ধে যা অর্জন করতে পারেনি, তা আলোচনার মাধ্যমে আদায়ের চেষ্টা করছে।
গালিবাফ বলেন, ইরানের সামরিক বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। মার্কিন সেনারা স্থলপথে প্রবেশ করলে তাদের ওপর কঠোর আঘাত হানা হবে।
আত্মসমর্পণের প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ইরান কখনোই অপমানজনক কোনো শর্ত মেনে নেবে না এবং এ বিষয়ে তাদের অবস্থান পরিষ্কার।
এদিকে ইরান ইস্যুতে বেঠকে বসছে প্রভাবশালী চার মুসলিম দেশ। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এ বৈঠকে আয়োজন করা হয়েছে।
রোববার (২৯ মার্চ) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। এর অংশ হিসেবে পাকিস্তান একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আয়োজন করে। এই বৈঠকে তুরস্ক, সৌদি আরব এবং মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নেন। আলোচনার মূল লক্ষ্য ছিল চলমান উত্তেজনা প্রশমিত করা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
চলমান সংঘাতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। দেশটি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমে পরোক্ষ আলোচনা এগিয়ে নিচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় তুরস্ক ও মিসরও সহায়তা করছে।