আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান সংশোধন, কারণ কী
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ২৫তম সংশোধনীনিয়ে আবারও রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বিতর্কিত মন্তব্যের পর কিছু ডেমোক্র্যাট নেতা তাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলছেন। বিশেষ করে ইরানকে নিয়ে কঠোর ও আপত্তিকর হুমকির পর বিষয়টি আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। ২৫তম সংশোধনী কী? ১৯৬৭ সালে অনুমোদিত এই সংশোধনীটি প্রণয়ন করা হয় জন এফ কেনেডির হত্যাকাণ্ডের পর। এর মূল উদ্দেশ্য হলো প্রেসিডেন্ট বা ভাইস প্রেসিডেন্ট পদ শূন্য হলে বা প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। কীভাবে ব্যবহার করা হয়? এই সংশোধনীর ৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং মন্ত্রিসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য যদি মনে করেন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালনে অক্ষম, তবে তারা তাকে সরানোর উদ্যোগ নিতে পারেন। তবে প্রেসিডেন্ট যদি সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করেন, তাহলে কংগ্রেসের উভয় কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে সেটি অনুমোদিত হতে হবে। আগে কি কখনো ব্যবহার হয়েছে?
যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ২৫তম সংশোধনীনিয়ে আবারও রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বিতর্কিত মন্তব্যের পর কিছু ডেমোক্র্যাট নেতা তাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলছেন। বিশেষ করে ইরানকে নিয়ে কঠোর ও আপত্তিকর হুমকির পর বিষয়টি আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
২৫তম সংশোধনী কী?
১৯৬৭ সালে অনুমোদিত এই সংশোধনীটি প্রণয়ন করা হয় জন এফ কেনেডির হত্যাকাণ্ডের পর। এর মূল উদ্দেশ্য হলো প্রেসিডেন্ট বা ভাইস প্রেসিডেন্ট পদ শূন্য হলে বা প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
কীভাবে ব্যবহার করা হয়?
এই সংশোধনীর ৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং মন্ত্রিসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য যদি মনে করেন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালনে অক্ষম, তবে তারা তাকে সরানোর উদ্যোগ নিতে পারেন। তবে প্রেসিডেন্ট যদি সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করেন, তাহলে কংগ্রেসের উভয় কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে সেটি অনুমোদিত হতে হবে।
আগে কি কখনো ব্যবহার হয়েছে?
প্রেসিডেন্টের সাময়িক অসুস্থতার ক্ষেত্রে ৩ নম্বর ধারা কয়েকবার ব্যবহার হয়েছে। যেমন ২০২১ সালে জো বাইডেন একটি চিকিৎসা প্রক্রিয়ার সময় সাময়িকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। তবে ৪ নম্বর ধারা কখনোই বাস্তবে প্রয়োগ হয়নি। এ ধারায় জোরপূর্বক অপসারণের কথা বলা হয়েছে।
অতীতের প্রেক্ষাপট
২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটলে দাঙ্গার পর ডেমোক্র্যাট নেতারা তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে এই সংশোধনী প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে সেটি কার্যকর হয়নি।
কেন এটি কঠিন?
বর্তমানে কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ থাকায়, এই সংশোধনী ব্যবহার করে ট্রাম্পকে অপসারণ করা রাজনৈতিকভাবে খুবই কঠিন। বিশ্লেষকদের মতে, রিপাবলিকানদের বড় অংশের সমর্থন ছাড়া এটি সম্ভব নয়।
ডেমোক্র্যাটদের জন্য এই ইস্যুতে এগোনো ঝুঁকিপূর্ণও হতে পারে। কারণ তারা ইতিমধ্যেই ট্রাম্পকে ইমপিচমেন্টের তথা অভিশংসনের মাধ্যমে দুবার অপসারণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে। আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তারা অর্থনীতি, চাকরি ও মূল্যস্ফীতি ইস্যুতে বেশি জোর দিতে চাইছে। অন্যদিকে, রিপাবলিকান নেতারা ডেমোক্র্যাটদের এই উদ্যোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে সমালোচনা করছেন।
What's Your Reaction?