আল্লাহ সবার স্রষ্টা এবং প্রতিপালক

আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আপনি বলুন, আমি কি আল্লাহ ব্যতীত অন্য প্রতিপালকের সন্ধান করব, অথচ তিনিই সবকিছুর প্রতিপালক?! যে ব্যক্তি কোনো গুনাহ করে, তা তারই দায়িত্বে থাকে। কেউ অপরের গুনাহের বোঝা বহন করবে না। অতঃপর তোমাদের সবাইকে প্রতিপালকের কাছে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। অনন্তর তিনি তোমাদের বলে দেবেন, যেসব বিষয়ে তোমরা বিরোধ করতে।’ (সুরা আনআম : ১৬৪) শিক্ষা ১. আল্লাহর রাসুল (সা.) সবাইকে আল্লাহর প্রতি পরিপূর্ণ ইমান আনয়ন ও ইবাদত-বন্দেগির দাওয়াত দিতেন। কিন্তু কাফেররা আল্লাহর সব কিছুতে বিশ্বাস করত না। অর্থাৎ, তারা আল্লাহকে স্রষ্টা হিসেবে স্বীকার করলেও প্রতিপালক হিসেবে স্বীকার করত না। প্রতিপালক হিসেবে তারা বিভিন্ন প্রতিমা ও দেব-দেবীকে মান্য করত। ২. কাফেররা কেবল আল্লাহর রাসুলের উক্ত বিশ্বাসের বিরোধিতাই নয়, বরং তাদের বানানো প্রতিমাকে প্রতিপালক হিসেবে মেনে নিতে দাবি জানাত। তখন আল্লাহর রাসুলের জবাব হতো— আল্লাহকে ছাড়া অন্য কিছুকে প্রতিপালক হিসেবে মান্য করা কীভাবে সম্ভব? কারণ সেসব কিছুও তো আল্লাহরই সৃষ্টি; আল্লাহই সবার প্রতিপালক! ৩. মানুষ যে সব পাপ করে তার দায়ভারও যার যার ওপর বর্তাবে। কেয়ামতের ময়দানে এ কথা ব

আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আপনি বলুন, আমি কি আল্লাহ ব্যতীত অন্য প্রতিপালকের সন্ধান করব, অথচ তিনিই সবকিছুর প্রতিপালক?! যে ব্যক্তি কোনো গুনাহ করে, তা তারই দায়িত্বে থাকে। কেউ অপরের গুনাহের বোঝা বহন করবে না। অতঃপর তোমাদের সবাইকে প্রতিপালকের কাছে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। অনন্তর তিনি তোমাদের বলে দেবেন, যেসব বিষয়ে তোমরা বিরোধ করতে।’ (সুরা আনআম : ১৬৪) শিক্ষা ১. আল্লাহর রাসুল (সা.) সবাইকে আল্লাহর প্রতি পরিপূর্ণ ইমান আনয়ন ও ইবাদত-বন্দেগির দাওয়াত দিতেন। কিন্তু কাফেররা আল্লাহর সব কিছুতে বিশ্বাস করত না। অর্থাৎ, তারা আল্লাহকে স্রষ্টা হিসেবে স্বীকার করলেও প্রতিপালক হিসেবে স্বীকার করত না। প্রতিপালক হিসেবে তারা বিভিন্ন প্রতিমা ও দেব-দেবীকে মান্য করত। ২. কাফেররা কেবল আল্লাহর রাসুলের উক্ত বিশ্বাসের বিরোধিতাই নয়, বরং তাদের বানানো প্রতিমাকে প্রতিপালক হিসেবে মেনে নিতে দাবি জানাত। তখন আল্লাহর রাসুলের জবাব হতো— আল্লাহকে ছাড়া অন্য কিছুকে প্রতিপালক হিসেবে মান্য করা কীভাবে সম্ভব? কারণ সেসব কিছুও তো আল্লাহরই সৃষ্টি; আল্লাহই সবার প্রতিপালক! ৩. মানুষ যে সব পাপ করে তার দায়ভারও যার যার ওপর বর্তাবে। কেয়ামতের ময়দানে এ কথা বলার সুযোগ থাকবে না যে, আমি শয়তানের প্ররোচনায় এসব পাপ করেছি। ৪. প্রত্যেকেই আপন আপন পাপ-পুণ্য নিয়ে আল্লাহর সামনে হাজির হবে। আল্লাহ প্রত্যেকের প্রাপ্য ও প্রতিদান বুঝিয়ে দেবেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow