আশা ভোঁসলের যে গান নিষিদ্ধ হয়েছিল

ভারতের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আশা ভোঁসলে তার দীর্ঘ সংগীত জীবনে অসংখ্য কালজয়ী গান উপহার দিয়েছেন। তবে তার ক্যারিয়ারে এমনও একটি গান রয়েছে, যা একসময় সরকারিভাবে নিষিদ্ধ হয়েছিল। সেই গানই পরে শিল্পীকে এনে দেয় বড় স্বীকৃতি। সেই বহুল আলোচিত গানটি হলো ‘দম মারো দম’। এটি ব্যবহৃত হয়েছিল ‘হরে রাম হরে কৃষ্ণ’ ছবিতে। গানটি মুক্তির পরপরই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেলেও এর বিষয়বস্তু নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। জানা যায়, গানটিতে মাদক ব্যবহারের ইঙ্গিত এবং কিছু লিরিক্সকে ভারতীয় সংস্কৃতির পরিপন্থি হিসেবে আখ্যা দিয়ে এটি অল ইন্ডিয়া রেডিও ও দূরদর্শনে সম্প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়। ওই সময় সরকার মনে করেছিল, গানটি তরুণ সমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।তবে বিতর্ক থামাতে পারেনি গানটির জনপ্রিয়তা। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি কাল্ট ক্লাসিকে পরিণত হয়। মজার বিষয়, যে গানটি একসময় নিষিদ্ধ হয়েছিল, সেই গান গেয়েই আশা ভোঁসলে জিতে নেন ফিল্মফেয়ার পুরস্কার। এই গানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ছবির পরিচালক দেব আনন্দ প্রথমে গানটি সিনেমা থেকে বাদ দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আশা ভোঁসলের অনুরোধেই শেষ পর্যন্ত গানটি রাখা হয়। আর সেটিই হয়ে ওঠে ছবির সবচেয়ে স্মরণ

আশা ভোঁসলের যে গান নিষিদ্ধ হয়েছিল

ভারতের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী আশা ভোঁসলে তার দীর্ঘ সংগীত জীবনে অসংখ্য কালজয়ী গান উপহার দিয়েছেন। তবে তার ক্যারিয়ারে এমনও একটি গান রয়েছে, যা একসময় সরকারিভাবে নিষিদ্ধ হয়েছিল। সেই গানই পরে শিল্পীকে এনে দেয় বড় স্বীকৃতি।

সেই বহুল আলোচিত গানটি হলো ‘দম মারো দম’। এটি ব্যবহৃত হয়েছিল ‘হরে রাম হরে কৃষ্ণ’ ছবিতে। গানটি মুক্তির পরপরই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেলেও এর বিষয়বস্তু নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক।

জানা যায়, গানটিতে মাদক ব্যবহারের ইঙ্গিত এবং কিছু লিরিক্সকে ভারতীয় সংস্কৃতির পরিপন্থি হিসেবে আখ্যা দিয়ে এটি অল ইন্ডিয়া রেডিও ও দূরদর্শনে সম্প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়। ওই সময় সরকার মনে করেছিল, গানটি তরুণ সমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে বিতর্ক থামাতে পারেনি গানটির জনপ্রিয়তা। বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি কাল্ট ক্লাসিকে পরিণত হয়।

মজার বিষয়, যে গানটি একসময় নিষিদ্ধ হয়েছিল, সেই গান গেয়েই আশা ভোঁসলে জিতে নেন ফিল্মফেয়ার পুরস্কার।

এই গানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ছবির পরিচালক দেব আনন্দ প্রথমে গানটি সিনেমা থেকে বাদ দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আশা ভোঁসলের অনুরোধেই শেষ পর্যন্ত গানটি রাখা হয়। আর সেটিই হয়ে ওঠে ছবির সবচেয়ে স্মরণীয় অংশ। গানটির কথা লিখেছিলেন আনন্দ বক্সী এবং সুর করেছিলেন আর ডি বর্মন।

আজও ‘দম মারো দম’ শুধু একটি গান নয়, বরং ভারতীয় সংগীত ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

 

এলআইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow