আশুলিয়ায় মোবাইল ফোন বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর শরীর ঝলসে গুরুতর আহত
ঢাকার আশুলিয়ায় চার্জে থাকা দুটি মোবাইল ফোন বিস্ফোরণের ঘটনায় মিজানুর রহমান নামে এক স্টক লট ব্যবসায়ী গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন।বিস্ফোরণের পর আগুনে তার শরীরের বেশিরভাগ অংশ ঝলসে যায়। তাকে উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে বিষয়টি স্থানীয়দের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এরআগে রাত সাড়ে ১২টার দিকে আশুলিয়ার রশিদ মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় আলীমের বাড়ির একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। দগ্ধ মিজানুর রহমানের গ্রামের বাড়ি ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার ১০ নম্বর গোপাল ইউনিয়নের সিদ্দিক ভেন্ডার এলাকায়। তিনি আশুলিয়ার সোনিয়া মার্কেট এলাকায় স্টক লটের ব্যবসা করতেন এবং ঘটনাস্থলের বাসায় ভাড়া থাকতেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের দিকে হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে তারা ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে যান। এসময় ভেতর থেকে মিজানুর রহমানের চিৎকার শোনা যায়। পরে তার কক্ষের বারান্দার তালা ভেঙে তাকে উদ্ধার করা হয়। প্রতিবেশীরা জানান, উদ্ধারকালে কক্ষের ভেতরে আগুনে পুড়ে যাওয়া আসবাবপত্র ও মোবাইল ফোনের বিভিন্ন অংশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়। এছাড়া বারান্দায় থাকা একটি গ্যাস সিলিন্ডার অক্ষত অবস্
ঢাকার আশুলিয়ায় চার্জে থাকা দুটি মোবাইল ফোন বিস্ফোরণের ঘটনায় মিজানুর রহমান নামে এক স্টক লট ব্যবসায়ী গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন।
বিস্ফোরণের পর আগুনে তার শরীরের বেশিরভাগ অংশ ঝলসে যায়। তাকে উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে বিষয়টি স্থানীয়দের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এরআগে রাত সাড়ে ১২টার দিকে আশুলিয়ার রশিদ মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় আলীমের বাড়ির একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ মিজানুর রহমানের গ্রামের বাড়ি ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার ১০ নম্বর গোপাল ইউনিয়নের সিদ্দিক ভেন্ডার এলাকায়। তিনি আশুলিয়ার সোনিয়া মার্কেট এলাকায় স্টক লটের ব্যবসা করতেন এবং ঘটনাস্থলের বাসায় ভাড়া থাকতেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের দিকে হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে তারা ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে যান। এসময় ভেতর থেকে মিজানুর রহমানের চিৎকার শোনা যায়। পরে তার কক্ষের বারান্দার তালা ভেঙে তাকে উদ্ধার করা হয়।
প্রতিবেশীরা জানান, উদ্ধারকালে কক্ষের ভেতরে আগুনে পুড়ে যাওয়া আসবাবপত্র ও মোবাইল ফোনের বিভিন্ন অংশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়। এছাড়া বারান্দায় থাকা একটি গ্যাস সিলিন্ডার অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেলে সেটি দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
তাদের দাবি, মিজানুর রহমান দুটি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেন। এর মধ্যে একটি আইফোন ছিল। ঘটনার আগে দুটি মোবাইল চার্জে রেখে পাশাপাশি রাখা হয়েছিল। পরে সেগুলোর একটির বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে আহত ব্যক্তির কাছ থেকে জানতে পেরেছেন তারা। তবে বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার বিষয়ে জানতে বাড়ির মালিক ও তার পরিবারের সদস্যদের খোঁজ করা হলেও তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি।
এদিকে জিরাবো ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি ম্যান মো. মামুন হোসেন বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনার বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো ফোন আসেনি। বিষয়টি আমাদের জানা নেই।
ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
What's Your Reaction?