আসমার গোয়ালঘরে উপহারের চেক নিয়ে হাজির জেলা প্রশাসক

ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের নিশ্চিন্তপুরের অদম্য নারী আসমা বেগম। গরু, মুরগি-কবুতর পালন করে যা আয় হয় সেটি দিয়ে সংসার পরিচালনা করেন এবং দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত মায়ের চিকিৎসা কাজে অর্থ ব্যয় করেন। কিছুদিন আগে লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়ে তার আয়ের প্রধান উৎস তিনটি গরু মারা যায়। এরপর দিশেহারা হয়ে পড়েন আসমা। থেমে যায় মায়ের চিকিৎসা। এরমধ্যে দ্বিধা ও সংকোচ কাটিয়ে বুকভরা মনোবল নিয়ে চলে যান ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। জেলা প্রশাসককে খুলে বলেন নিজের সমস্যার কথা। সে সময় জেলা প্রশাসক তাকে আশ্বাস দেন তার পাশে দাঁড়ানোর। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে হঠাৎ আসমার ভাঙা গোয়ালঘরে স্বশরীরে উপস্থিত হন জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলামসহ সমাজসেবার কর্মকর্তারা। এসময় সমাজসেবার বিশেষ তহবিল থেকে গরু কেনার জন্য আসমার হাতে তুলে দেওয়া হয় ৫০ হাজার টাকার চেক। এছাড়াও অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা ও ঘর মেরামতের জন্য আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক। চেক হাতে পেয়ে আনন্দিত আসমা বেগম। অশ্রুসিক্ত নয়নে তিনি বলেন, ‘সাহায্যের টাকা দিয়ে একটি গরু কিনবো। ঘর ঠিক হলে মাকে নিয়ে ঘরে উঠবো।’ জ

আসমার গোয়ালঘরে উপহারের চেক নিয়ে হাজির জেলা প্রশাসক

ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের নিশ্চিন্তপুরের অদম্য নারী আসমা বেগম। গরু, মুরগি-কবুতর পালন করে যা আয় হয় সেটি দিয়ে সংসার পরিচালনা করেন এবং দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত মায়ের চিকিৎসা কাজে অর্থ ব্যয় করেন।

কিছুদিন আগে লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়ে তার আয়ের প্রধান উৎস তিনটি গরু মারা যায়। এরপর দিশেহারা হয়ে পড়েন আসমা। থেমে যায় মায়ের চিকিৎসা।

এরমধ্যে দ্বিধা ও সংকোচ কাটিয়ে বুকভরা মনোবল নিয়ে চলে যান ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। জেলা প্রশাসককে খুলে বলেন নিজের সমস্যার কথা। সে সময় জেলা প্রশাসক তাকে আশ্বাস দেন তার পাশে দাঁড়ানোর।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকেলে হঠাৎ আসমার ভাঙা গোয়ালঘরে স্বশরীরে উপস্থিত হন জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাইরুল ইসলামসহ সমাজসেবার কর্মকর্তারা।

এসময় সমাজসেবার বিশেষ তহবিল থেকে গরু কেনার জন্য আসমার হাতে তুলে দেওয়া হয় ৫০ হাজার টাকার চেক। এছাড়াও অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা ও ঘর মেরামতের জন্য আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দেন জেলা প্রশাসক।

চেক হাতে পেয়ে আনন্দিত আসমা বেগম। অশ্রুসিক্ত নয়নে তিনি বলেন, ‘সাহায্যের টাকা দিয়ে একটি গরু কিনবো। ঘর ঠিক হলে মাকে নিয়ে ঘরে উঠবো।’

জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা বলেন, ‘কিছুদিন আগে আমার সঙ্গে দেখা করে নিজের অবস্থার কথা জানিয়েছেন আসমা। তিনি পরিশ্রম করে সংসার চালান। তার গরু মারা গেছে। মা অসুস্থ। নিজের ঘরের নোংরা পরিবেশে অসুস্থ মাকে রাখার ব্যবস্থা নেই। আমরা তাকে কিছু সাহায্য করেছি।

তানভীর হাসান তানু/আরএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow