আসামির আইনজীবীর সঙ্গে প্রসিকিউটর সাইমুমের যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর আইনজীবীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদারের যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এমন তথ্য জানিয়ে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, তবে মামলা ঘিরে অনৈতিক লেনদেনের অভিযোগ বিষয়ে এখনো পূর্ণাঙ্গ তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, কয়েকজন প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের তদন্তে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি কাজ করছে। ফজলে করিম চৌধুরীর আইনজীবীর সঙ্গে তৎকালীন প্রসিকিউটর সাইমুমের কথোপকথনের বিষয়ে আমরা নিশ্চিত প্রমাণ পেয়েছি। তবে, তিনি মামলার আসামিপক্ষকে অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ দাবি করেছেন, এমন অভিযোগ বিষয়ে এখনো প্রমাণ পাইনি। কমিটির কার্যক্রম চলছে। জানা গেছে, গত মার্চে বিচারাধীন মামলার আসামিকে সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে প্রসিকিউর সাইমুমের ঘুস চাওয়ার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। দুটি অডিও রেকর্ড ফাঁস হওয়ার পর এ অভিযোগ সামনে আসে। এতে প্রসিকিউটর সাইমুমের সঙ্গে ফজলে করিমের আইনজীবী রিজওয়ানা ইউসুফের কথোপকথন শোনা য
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার আসামি চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর আইনজীবীর সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদারের যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এমন তথ্য জানিয়ে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, তবে মামলা ঘিরে অনৈতিক লেনদেনের অভিযোগ বিষয়ে এখনো পূর্ণাঙ্গ তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, কয়েকজন প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের তদন্তে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি কাজ করছে। ফজলে করিম চৌধুরীর আইনজীবীর সঙ্গে তৎকালীন প্রসিকিউটর সাইমুমের কথোপকথনের বিষয়ে আমরা নিশ্চিত প্রমাণ পেয়েছি। তবে, তিনি মামলার আসামিপক্ষকে অনৈতিক সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে অর্থ দাবি করেছেন, এমন অভিযোগ বিষয়ে এখনো প্রমাণ পাইনি। কমিটির কার্যক্রম চলছে।
জানা গেছে, গত মার্চে বিচারাধীন মামলার আসামিকে সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে প্রসিকিউর সাইমুমের ঘুস চাওয়ার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। দুটি অডিও রেকর্ড ফাঁস হওয়ার পর এ অভিযোগ সামনে আসে। এতে প্রসিকিউটর সাইমুমের সঙ্গে ফজলে করিমের আইনজীবী রিজওয়ানা ইউসুফের কথোপকথন শোনা যায়, যা এক কোটি টাকা ঘুসের বিনিময়ে মামলার আসামির নাম বাদ দেওয়ার সম্ভাব্য চুক্তির ইঙ্গিত দেয়। রেকর্ডে যার নাম এসেছে, সেই প্রসিকিউটর অভিযোগ অস্বীকার করলেও পদত্যাগ করেছেন।
এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর গত ১০ মার্চ পাঁচ সদস্যের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, যার নেতৃত্বে রয়েছেন তিনি নিজেই।
এর আগে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম ও সুলতান মাহমুদের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ ওঠে। ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি এসব অভিযোগ নিয়ে কাজ করছে।
এফএইচ/এমকেআর
What's Your Reaction?