ইউএনওর কাছে গাঁজা সেবনের টাকা চেয়ে যুবক আটক

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় গভীর রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে গাঁজা সেবনের জন্য টাকা চেয়ে এক নেশাগ্রস্ত যুবক আটক হয়েছেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বুধবার (২৪ জুন) রাতে নড়িয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। দণ্ডপ্রাপ্ত যুবকের নাম বাবলু বেপারি (৩০)। তিনি নড়িয়া পৌরসভার শুভগ্রাম এলাকার নান্নু বেপারির ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে উপজেলা পরিষদ এলাকায় পরিদর্শনে বের হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল কাইয়ুম খান। এসময় হঠাৎ করে বাবলু বেপারি তার কাছে গিয়ে গাঁজা সেবনের জন্য ১০০ টাকা দাবি করেন। তিনি তখন নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন এবং অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতে থাকেন। এ ঘটনায় উপস্থিত লোকজন হতবাক হয়ে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনের সদস্যরা তাকে আটক করেন। পরে ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বাবলু বেপারীকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। ইউএনও আব্দুল কাইয়ুম খান বলেন, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় এক ব্যক্তি আমার কাছে এসে গাঁজা সেবনের জন্য টাকা

ইউএনওর কাছে গাঁজা সেবনের টাকা চেয়ে যুবক আটক
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় গভীর রাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে গাঁজা সেবনের জন্য টাকা চেয়ে এক নেশাগ্রস্ত যুবক আটক হয়েছেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বুধবার (২৪ জুন) রাতে নড়িয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। দণ্ডপ্রাপ্ত যুবকের নাম বাবলু বেপারি (৩০)। তিনি নড়িয়া পৌরসভার শুভগ্রাম এলাকার নান্নু বেপারির ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে উপজেলা পরিষদ এলাকায় পরিদর্শনে বের হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল কাইয়ুম খান। এসময় হঠাৎ করে বাবলু বেপারি তার কাছে গিয়ে গাঁজা সেবনের জন্য ১০০ টাকা দাবি করেন। তিনি তখন নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন এবং অসংলগ্ন কথাবার্তা বলতে থাকেন। এ ঘটনায় উপস্থিত লোকজন হতবাক হয়ে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনের সদস্যরা তাকে আটক করেন। পরে ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বাবলু বেপারীকে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। ইউএনও আব্দুল কাইয়ুম খান বলেন, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় এক ব্যক্তি আমার কাছে এসে গাঁজা সেবনের জন্য টাকা দাবিসহ অসংলগ্ন আচরণ করেন। জনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে দণ্ড দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং জনশৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow