ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় বিপর্যস্ত মস্কোর তেল শোধনাগার

ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর প্রধান তেল শোধনাগারটি অন্তত ছয় মাস বন্ধ থাকতে পারে বলে জানিয়েছে শিল্প খাতের দুটি সূত্র। এতে দেশটির জ্বালানি সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মস্কোর দক্ষিণ উপকণ্ঠে অবস্থিত এই শোধনাগারটি রাজধানী অঞ্চল ও আশপাশের এলাকায় জ্বালানি সরবরাহের সবচেয়ে বড় কেন্দ্র। চলতি মাসে ইউক্রেনের দুটি পৃথক ড্রোন হামলায় স্থাপনাটি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে উৎপাদন কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। শিল্প খাতের এক সূত্র জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এতটাই বেশি যে শোধনাগারটি সচল করতে অন্তত ছয় মাস সময় লাগবে। তবে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনাকারী গ্যাজপ্রম নেফট এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রুশ জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা বাড়িয়েছে ইউক্রেন। পাল্টা হিসেবে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরের জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা-সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া। বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলায় রাশিয়ার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল পরি

ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় বিপর্যস্ত মস্কোর তেল শোধনাগার

ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর প্রধান তেল শোধনাগারটি অন্তত ছয় মাস বন্ধ থাকতে পারে বলে জানিয়েছে শিল্প খাতের দুটি সূত্র। এতে দেশটির জ্বালানি সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মস্কোর দক্ষিণ উপকণ্ঠে অবস্থিত এই শোধনাগারটি রাজধানী অঞ্চল ও আশপাশের এলাকায় জ্বালানি সরবরাহের সবচেয়ে বড় কেন্দ্র। চলতি মাসে ইউক্রেনের দুটি পৃথক ড্রোন হামলায় স্থাপনাটি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে উৎপাদন কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

শিল্প খাতের এক সূত্র জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এতটাই বেশি যে শোধনাগারটি সচল করতে অন্তত ছয় মাস সময় লাগবে। তবে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনাকারী গ্যাজপ্রম নেফট এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রুশ জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা বাড়িয়েছে ইউক্রেন। পাল্টা হিসেবে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরের জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা-সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া।

বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলায় রাশিয়ার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল পরিশোধন সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জ্বালানি সংকট, মূল্যবৃদ্ধি এবং ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মস্কোর এই শোধনাগারটি ২০২৪ সালে প্রায় ১ কোটি ১৬ লাখ টন অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাত করেছে। সেখান থেকে প্রায় ২৯ লাখ টন পেট্রোল ও ৩২ লাখ টন ডিজেল উৎপাদন করা হয়।

এদিকে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ডিজেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি বিবেচনা করছে রাশিয়া। দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কিছু অঞ্চলে, বিশেষ করে ক্রিমিয়ায়, জ্বালানি ঘাটতি মোকাবিলায় আমদানির সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্রঃ রয়টার্স

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow