ইউনিয়ন পরিষদে ৩ শিশু সন্তান রেখে উধাও মা

পিরোজপুরের জিয়ানগরে তিন শিশু সন্তান রেখে উধাও হয়েছেন এক মা। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিন শিশু রেখে যাওয়া ওই নারীর স্বামী আমান উল্লাহ প্রায় এক বছর আগে দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র বসবাস শুরু করেন। এরপর থেকে সে স্ত্রী ও সন্তানদের কোনো খোঁজখবর নেয়নি। ফলে চরম অভাব-অনটনের মধ্যে তিন সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন মা। বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে তিন সন্তান আরজিনা (৬), আছিয়া (৩) ও সাত মাস বয়সী খাদিজাকে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে আসেন তিনি। চেয়ারম্যান তার জন্য নাস্তার ব্যবস্থা করেন। পরে পরিষদের দোতলার বারান্দায় শিশু তিনটিকে রেখে তিনি নিখোঁজ হয়ে যান। পরে শিশুদের কান্নাকাটি দেখে পরিষদের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করলেও বিকেল পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, ওই নারীর আয়ের একমাত্র উৎস ছিল একটি সেলাই মেশিন। কিন্তু এক হাজার টাকা দেনার দায়ে সেটিও নিয়ে যায় স্থানীয় গ্রাম পুলিশ নজরুল ইসলাম। এতে তিনি আরও অসহায় হয়ে পড়েন। ইউপি সদস্য সাহিদা আক্তার পারুল জানান, পারিবারিক কলহ ও শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনের কারণে মুক্তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠে

ইউনিয়ন পরিষদে ৩ শিশু সন্তান রেখে উধাও মা

পিরোজপুরের জিয়ানগরে তিন শিশু সন্তান রেখে উধাও হয়েছেন এক মা। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিন শিশু রেখে যাওয়া ওই নারীর স্বামী আমান উল্লাহ প্রায় এক বছর আগে দ্বিতীয় বিয়ে করে অন্যত্র বসবাস শুরু করেন। এরপর থেকে সে স্ত্রী ও সন্তানদের কোনো খোঁজখবর নেয়নি। ফলে চরম অভাব-অনটনের মধ্যে তিন সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন মা।

বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে তিন সন্তান আরজিনা (৬), আছিয়া (৩) ও সাত মাস বয়সী খাদিজাকে নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে আসেন তিনি। চেয়ারম্যান তার জন্য নাস্তার ব্যবস্থা করেন। পরে পরিষদের দোতলার বারান্দায় শিশু তিনটিকে রেখে তিনি নিখোঁজ হয়ে যান।

পরে শিশুদের কান্নাকাটি দেখে পরিষদের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করলেও বিকেল পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, ওই নারীর আয়ের একমাত্র উৎস ছিল একটি সেলাই মেশিন। কিন্তু এক হাজার টাকা দেনার দায়ে সেটিও নিয়ে যায় স্থানীয় গ্রাম পুলিশ নজরুল ইসলাম। এতে তিনি আরও অসহায় হয়ে পড়েন।

ইউপি সদস্য সাহিদা আক্তার পারুল জানান, পারিবারিক কলহ ও শ্বশুরবাড়ির নির্যাতনের কারণে মুক্তার জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল।

চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মশিউর রহমান মঞ্জু বলেন, মুক্তার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করে আলাদা থাকেন। তার আয়ের একমাত্র সম্বল সেলাই মেশিনটিও নিয়ে নেওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।

জিয়ানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান মো. হাফিজুর রহমান জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow