ইউরেনিয়াম স্থানান্তরে সম্মতি, অস্বীকার ইরানের
ইউরেনিয়াম স্থানান্তরে সম্মতির বিষয়ে অস্বীকার করেছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, তারা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠাতে কোনোভাবেই সম্মত হয়নি। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবিকে সরাসরি অস্বীকার করেছে তারা।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ি বলেন, তেহরান কখনোই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশ থেকে বাইরে পাঠানোর প্রস্তাব মেনে নেবে না। এ ধরনের কোনো প্রতিশ্রুতিও দেয়নি।
তিনি আলজাজিরাকে জানান, ইরান তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম শূন্যে নামিয়ে আনা বা তাদের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করার বিষয়টি ‘সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান’ করেছে। কারণ এটি তাদের কাছে একটি কৌশলগত ‘লাল রেখা’।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন যে, ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত হস্তান্তর করবে। শুক্রবার এক পোস্টে তিনি লেখেন, যুক্তরাষ্ট্র সব পারমাণবিক ডাস্ট পাবে। তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘায়েও ট্রাম্পের এই দাবিগুলো নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি তাসনিম নিউজকে বলেন, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমাদের
ইউরেনিয়াম স্থানান্তরে সম্মতির বিষয়ে অস্বীকার করেছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, তারা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠাতে কোনোভাবেই সম্মত হয়নি। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবিকে সরাসরি অস্বীকার করেছে তারা।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ি বলেন, তেহরান কখনোই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশ থেকে বাইরে পাঠানোর প্রস্তাব মেনে নেবে না। এ ধরনের কোনো প্রতিশ্রুতিও দেয়নি।
তিনি আলজাজিরাকে জানান, ইরান তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম শূন্যে নামিয়ে আনা বা তাদের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করার বিষয়টি ‘সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান’ করেছে। কারণ এটি তাদের কাছে একটি কৌশলগত ‘লাল রেখা’।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন যে, ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত হস্তান্তর করবে। শুক্রবার এক পোস্টে তিনি লেখেন, যুক্তরাষ্ট্র সব পারমাণবিক ডাস্ট পাবে। তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাঘায়েও ট্রাম্পের এই দাবিগুলো নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি তাসনিম নিউজকে বলেন, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আমাদের কাছে ইরানের মাটির মতোই পবিত্র এবং কোনো অবস্থাতেই এটি কোথাও স্থানান্তর করা হবে না।
উল্লেখ্য, গত বছরের জুনে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলার আগে ইরানের কাছে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ ৪০০ কেজির বেশি ইউরেনিয়াম এবং ২০০ কেজির মতো ২০ শতাংশ সমৃদ্ধ ফিসাইল ম্যাটেরিয়াল ছিল। এই উপাদানগুলো খুব সহজে ৯০ শতাংশ বা যুদ্ধাস্ত্র তৈরির উপযোগী ইউরেনিয়ামে রূপান্তর করা সম্ভব।
ইরান দাবি করে আসছে, তাদের এই কর্মসূচি শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন ও জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য। তবে তথ্য বলছে ভিন্ন কথা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০৪১ সালের মধ্যে ২০ গিগাওয়াট পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও বর্তমানে তাদের একমাত্র সচল কেন্দ্র বুশেহর মাত্র ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে, যা দেশের মোট উৎপাদনের মাত্র ১ শতাংশ।