ইউরোপের রাষ্ট্রদূতদের তলব করে কঠিন হুঁশিয়ারি দিল ইরান
সম্প্রতি ইরানের এলিট ফোর্স ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইউরোপীয় বাহিনীগুলোকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণার পর এবার তেহরানে থাকা সব ইউরোপীয় দেশের রাষ্ট্রদূতদের তলব করেছে ইরান।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) এবিসি নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্তি ইইউ’র একটি ভুল সিদ্ধান্ত এবং ইরানের প্রতি অপমান বলে বিবেচিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রদূতদের তলব করে কঠিন হুঁশিয়ারি এবং তেহরান আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে বিবেচনা করছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
এদিকে, চলমান উত্তেজনা মধ্যে পরমাণু চুক্তি ইস্যুতে আলোচনায় বসার ইঙ্গিত দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। চলতি সপ্তাহেই দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে তুরস্কের আঙ্কারায় বৈঠক আয়োজনের চেষ্টা করছে কয়েকটি দেশ।
মার্কিন প্রশাসনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রোববার জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তারা চলতি সপ্তাহেই ইরানের সঙ্গে এই
সম্প্রতি ইরানের এলিট ফোর্স ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইউরোপীয় বাহিনীগুলোকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণার পর এবার তেহরানে থাকা সব ইউরোপীয় দেশের রাষ্ট্রদূতদের তলব করেছে ইরান।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) এবিসি নিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, আইআরজিসিকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্তি ইইউ’র একটি ভুল সিদ্ধান্ত এবং ইরানের প্রতি অপমান বলে বিবেচিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রদূতদের তলব করে কঠিন হুঁশিয়ারি এবং তেহরান আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে বিবেচনা করছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
এদিকে, চলমান উত্তেজনা মধ্যে পরমাণু চুক্তি ইস্যুতে আলোচনায় বসার ইঙ্গিত দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। চলতি সপ্তাহেই দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে তুরস্কের আঙ্কারায় বৈঠক আয়োজনের চেষ্টা করছে কয়েকটি দেশ।
মার্কিন প্রশাসনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রোববার জানিয়েছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তারা চলতি সপ্তাহেই ইরানের সঙ্গে এই ধরনের আলোচনা শুরু করতে চায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, তুরস্ক, মিশর ও কাতার যৌথভাবে চলতি সপ্তাহে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় এই বৈঠকটি আয়োজনের উদ্যোগ নিচ্ছে। প্রস্তাবিত এ বৈঠকে হোয়াইট হাউসের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অংশ নিতে পারেন।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, পরমাণু চুক্তির আহ্বান জানিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য এবং বিপরীতে সামরিক অভিযানের হুমকি কোনো প্রতারণামূলক কৌশল নয়।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছে। ট্রাম্প নিজেই একে বিশাল নৌবহর হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তবে, যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করলে এটি একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতে পরিণত হবে বলে সতর্ক করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি।