ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা তাসনূভা জাবীনের
ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করা নারী নেত্রী তাসনূভা জাবীন। রোববার (১১ জানুয়ারি) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ-সংক্রান্ত পোস্ট দিয়েছেন তিনি। তার পোস্টটি নিচে হুবহু দেওয়া হলো। ‘গতকাল থেকে নিশ্চয়ই খেয়াল করছেন, সালমান মুক্তাদির এবং তার পরিবার নিয়ে প্রোপাগান্ডা সিস্টেমেটিক্যালি শৃঙ্খলা মেনে সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়ছে। ভাষার ধরন থেকে শুরু করে প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর একটা প্যাটার্ন আছে। মানজুর আল মতিন এবং তার পরিবারকে নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর প্যাটার্নও একই রকম ছিল। মনে আছে নিশ্চয়ই। গতকাল মাহফুজ একটা পোস্ট দেওয়ার পর তাকে নিয়েও শুরু হবে। অলরেডি যে রাজনীতি বানান করতে পারে না সেও পরামর্শ দিচ্ছে নতুন রাজনীতির দোকান না খুলতে। কারণ সব রাজনৈতিক দলে একটা করে দোকান খোলার অধিকার শুধু তাদের আছে। আর আমরা মেয়ে মানুষরা তো কোনো ব্যাপারই না এদের কাছে। তুড়ি মেরে ইশারা করবে আর মিথ্যাচারের ফেস্টিভ্যাল শুরু হয়ে যাবে। কোনো কোনো আওয়াজকে তারা টার্গেট করে ওটাও শিক্ষণীয়। যে বা যারাই তাদের সঙ্গে দ্বিমত করবে তার বা তাদের সঙ্গেই ওই একই প্যাটান অ্যাপ্লাই হবে। কিন
ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করা নারী নেত্রী তাসনূভা জাবীন। রোববার (১১ জানুয়ারি) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ-সংক্রান্ত পোস্ট দিয়েছেন তিনি।
তার পোস্টটি নিচে হুবহু দেওয়া হলো।
‘গতকাল থেকে নিশ্চয়ই খেয়াল করছেন, সালমান মুক্তাদির এবং তার পরিবার নিয়ে প্রোপাগান্ডা সিস্টেমেটিক্যালি শৃঙ্খলা মেনে সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়ছে। ভাষার ধরন থেকে শুরু করে প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর একটা প্যাটার্ন আছে।
মানজুর আল মতিন এবং তার পরিবারকে নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর প্যাটার্নও একই রকম ছিল। মনে আছে নিশ্চয়ই। গতকাল মাহফুজ একটা পোস্ট দেওয়ার পর তাকে নিয়েও শুরু হবে। অলরেডি যে রাজনীতি বানান করতে পারে না সেও পরামর্শ দিচ্ছে নতুন রাজনীতির দোকান না খুলতে। কারণ সব রাজনৈতিক দলে একটা করে দোকান খোলার অধিকার শুধু তাদের আছে।
আর আমরা মেয়ে মানুষরা তো কোনো ব্যাপারই না এদের কাছে। তুড়ি মেরে ইশারা করবে আর মিথ্যাচারের ফেস্টিভ্যাল শুরু হয়ে যাবে।
কোনো কোনো আওয়াজকে তারা টার্গেট করে ওটাও শিক্ষণীয়।
যে বা যারাই তাদের সঙ্গে দ্বিমত করবে তার বা তাদের সঙ্গেই ওই একই প্যাটান অ্যাপ্লাই হবে। কিন্তু এটার একটা খুব খুব ভালো দিক আছে। হাসিনার আমলে ডিজিটাল অ্যাক্টে মামলা, গুম ছিল নিত্য-নৈমিত্তিক ব্যাপার, তার মতের বিরুদ্ধে বললেই খপ করে ধরত। কিন্তু এখন কোনো শাসকের গুম ফিরিয়ে আনতে হলে একশবার ভাবতে হবে। মতপ্রকাশের জন্য ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে মামলা দিতে একশবার চিন্তা করতে হবে।
ঠিক একইভাবে কোনো ব্যক্তি এবং তার পরিবারকে ঘিরে জঘন্য ভয়াবহ অনলাইন আক্রমণের দিনেরও শেষের শুরু হয়েছে।
রাজাকার ডাকতে ডাকতে মানুষ যখন বলেছে হ্যাঁ আমি রাজাকার কী করবি কর?!? এই সিস্টেমেটিক অরগানাইজড অনলাইন মিথ্যাচারগুলোরও একইভাবে ঘুরে দাঁড়ানো কিছু সময়ের অপেক্ষা শুধু।
শেষের শুরু।’
What's Your Reaction?