ইতালিতে নারীকে ধর্ষণ, বাংলাদেশি যুবক কারাগারে
ইতালির ভেনিসে বাংলাদেশি এক সন্তানের জননীকে ধর্ষণের অভিযোগে আরেক বাংলাদেশি যুবককে গ্রেপ্তারের পর সান্টা মারিয়া মাজ্জিওরে কারাগারে পাঠিয়েছে দেশটির পুলিশ। প্রথমদিকে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে তাকে গ্রেপ্তার না করায় ইতালি প্রবাসী এবং স্থানীয় মহলে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। তবে ভেনিস প্রসিকিউটর অফিসের বিশেষ পরোয়ানায় যুবককে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানো হয়। জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটে গত ৯ মে (শনিবার) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে। ভেনিসের মূল ভূখণ্ডের মারঘেরা এলাকার একটি যৌথ অ্যাপার্টমেন্টে স্বামী ও তিন মাসের শিশু সন্তানকে নিয়ে সাবলেট থাকতেন বাংলাদেশি গৃহবধূ। ঘটনার সময় তার স্বামী কাজের উদ্দেশ্যে বাইরে ছিলেন। এ সুযোগে ওই অ্যাপার্টমেন্টের অন্য একটি রুমে থাকা ৩৬ বছর বয়সী অপর এক বাংলাদেশি ঘরের বিল তোলার অজুহাতে গৃহবধূর কক্ষে প্রবেশ করে। গৃহবধূকে একা পেয়ে যুবক শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করে। এ সময় ভুক্তভোগী ফোনে তার স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে ফোনটি কেড়ে নেয়। পরে তিন মাসের সন্তানের সামনেই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে যুবক। সেখান থেকে সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে রাস্তায় বের হয়ে আসেন ভুক্তভোগী। সঙ্গে সঙ্গে তার স্বামী
ইতালির ভেনিসে বাংলাদেশি এক সন্তানের জননীকে ধর্ষণের অভিযোগে আরেক বাংলাদেশি যুবককে গ্রেপ্তারের পর সান্টা মারিয়া মাজ্জিওরে কারাগারে পাঠিয়েছে দেশটির পুলিশ।
প্রথমদিকে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে তাকে গ্রেপ্তার না করায় ইতালি প্রবাসী এবং স্থানীয় মহলে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। তবে ভেনিস প্রসিকিউটর অফিসের বিশেষ পরোয়ানায় যুবককে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানো হয়।
জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটে গত ৯ মে (শনিবার) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে। ভেনিসের মূল ভূখণ্ডের মারঘেরা এলাকার একটি যৌথ অ্যাপার্টমেন্টে স্বামী ও তিন মাসের শিশু সন্তানকে নিয়ে সাবলেট থাকতেন বাংলাদেশি গৃহবধূ। ঘটনার সময় তার স্বামী কাজের উদ্দেশ্যে বাইরে ছিলেন। এ সুযোগে ওই অ্যাপার্টমেন্টের অন্য একটি রুমে থাকা ৩৬ বছর বয়সী অপর এক বাংলাদেশি ঘরের বিল তোলার অজুহাতে গৃহবধূর কক্ষে প্রবেশ করে। গৃহবধূকে একা পেয়ে যুবক শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করে।
এ সময় ভুক্তভোগী ফোনে তার স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে ফোনটি কেড়ে নেয়। পরে তিন মাসের সন্তানের সামনেই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে যুবক। সেখান থেকে সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে রাস্তায় বের হয়ে আসেন ভুক্তভোগী। সঙ্গে সঙ্গে তার স্বামীকে বিষয়টি জানালে তিনি ইতালির জরুরি সেবা নম্বর ফোন করে কারাবিনিয়ারি (ইতালিয়ান পুলিশ) বাহিনীকে জানান।
পরেরদিন ১০ মে পুলিশ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে তার ফরেনসিক ও ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। পরের দিনই ওই তরুণী ও তার শিশুকে সেই যৌথ বাসা থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়।
কিন্তু ইতালির আইন অনুযায়ী অপরাধীকে হাতেনাতে ধরতে না পারায়, প্রথম দুদিন পুলিশ অভিযুক্তকে সরাসরি গ্রেপ্তার করেনি। এ খবর ইতালির স্থানীয় পত্রিকা ‘ইল গাজ্জেত্তিনো’-তে প্রকাশ পাওয়ার পর ভেনিসের বাঙালি কমিউনিটির মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। প্রবাসীরা দাবি তুলতে থাকেন- এমন জঘন্য অপরাধী গ্রেপ্তার করা হয়নি।
তদন্ত কর্মকর্তারা মেস্ত্রে ও মারঘেরা অঞ্চলের সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ট্র্যাক এবং হাসপাতালের ফরেনসিক মেডিকেল রিপোর্ট নিয়ে ভেনিসের আদালতের তদন্তকারী বিচারকের কাছে জমা দেন। প্রমাণের সত্যতা পেয়ে বিচারক অবিলম্বে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ‘প্রতিরোধমূলক হেফাজত’ বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
পরে ১৫ মে সকালে ভেনিস প্রসিকিউটর অফিসের নির্দেশে কারাবিনিয়ারি এবং মেস্ত্রে কোম্পানির পুলিশ বাহিনী মারঘেরা এলাকায় এক সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ৩৬ বছর বয়সী ওই বাংলাদেশি যুবককে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তাকে ভেনিসের কুখ্যাত ‘সান্টা মারিয়া মাজ্জিওরে’ কারাগারে বন্দি রাখা হয়েছে।
What's Your Reaction?