ইতালিতে বাংলাদেশির ১৪ বছরের কারাদণ্ড

ইতালির আগ্রিজেন্তো শহরে পাঁচ স্বদেশি যুবককে যৌন নিপীড়ন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে ৩৯ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি নাগরিককে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির আদালত। প্রাথমিক শুনানিতে বিচারক মিশেল ডুবিনি এ রায় দেন। সরকারি কৌঁসুলি এলেত্রা কনসোলি দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ায় হ্রাসপ্রাপ্ত ১২ বছর ৪ মাসের কারাদণ্ডের আবেদন করলেও আদালত আরো কঠোর শাস্তি দিয়ে ১৪ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তি পরিবার-পরিজন ছাড়া ইতালিতে আসা পাঁচ বাংলাদেশি যুবকের অসহায় অবস্থার সুযোগ নেন। তাদের সাহায্যের আশ্বাস দিয়ে নিজের বাসা বা আশপাশে আশ্রয় দিয়ে প্রথমে বিশ্বাস অর্জন করেন। পরে বিভিন্ন অজুহাতে তাদের ডেকে নিয়ে সহিংসতা, হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে যৌন নিপীড়ন করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনাগুলো ২০২৪ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ঘটে। ভুক্তভোগীদের বয়স ১৭ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। একটি ঘটনায় অভিযুক্ত একজন ভুক্তভোগীকে আত্মরক্ষার সক্ষমতা কমিয়ে দিতে জোর করে মদ্যপান করান বলেও অভিযোগ রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ আরো জানায়, ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি থানায় তথ্যদাতা হিসেবে তলব করা এক ভুক্তভোগীকে ঘ

ইতালিতে বাংলাদেশির ১৪ বছরের কারাদণ্ড
ইতালির আগ্রিজেন্তো শহরে পাঁচ স্বদেশি যুবককে যৌন নিপীড়ন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে ৩৯ বছর বয়সী এক বাংলাদেশি নাগরিককে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির আদালত। প্রাথমিক শুনানিতে বিচারক মিশেল ডুবিনি এ রায় দেন। সরকারি কৌঁসুলি এলেত্রা কনসোলি দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ায় হ্রাসপ্রাপ্ত ১২ বছর ৪ মাসের কারাদণ্ডের আবেদন করলেও আদালত আরো কঠোর শাস্তি দিয়ে ১৪ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তি পরিবার-পরিজন ছাড়া ইতালিতে আসা পাঁচ বাংলাদেশি যুবকের অসহায় অবস্থার সুযোগ নেন। তাদের সাহায্যের আশ্বাস দিয়ে নিজের বাসা বা আশপাশে আশ্রয় দিয়ে প্রথমে বিশ্বাস অর্জন করেন। পরে বিভিন্ন অজুহাতে তাদের ডেকে নিয়ে সহিংসতা, হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে যৌন নিপীড়ন করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনাগুলো ২০২৪ সালের মার্চ থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ঘটে। ভুক্তভোগীদের বয়স ১৭ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। একটি ঘটনায় অভিযুক্ত একজন ভুক্তভোগীকে আত্মরক্ষার সক্ষমতা কমিয়ে দিতে জোর করে মদ্যপান করান বলেও অভিযোগ রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ আরো জানায়, ২০২৫ সালের ২১ জানুয়ারি থানায় তথ্যদাতা হিসেবে তলব করা এক ভুক্তভোগীকে ঘটনাটি গোপন রাখতে হুমকি দেন অভিযুক্ত। অভিযোগে বলা হয়, তিনি ভুক্তভোগীকে ভয় দেখিয়ে কাউকে কিছু না বলতে বলেন এবং সাক্ষ্য দিলে গুরুতর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে বলে হুমকি দেন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী সালভাতোরে পেনিকা আদালতে দাবি করেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ নেই। তিনি খালাসের আবেদন জানান। বিকল্প হিসেবে গুরুতর অভিযোগগুলো বিবেচনায় না নেওয়া এবং ইলেকট্রনিক নজরদারির আওতায় গৃহবন্দি রাখার আবেদনও করেন। তবে আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেন। বর্তমানে দণ্ডপ্রাপ্ত ওই বাংলাদেশি ইতালির কারাগারে রয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow