ইতালি-ব্রাজিল পেরেছে, পারবে কি আর্জেন্টিনা?

ফুটবল বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের সুদীর্ঘ ইতিহাসে শিরোপা ধরে রাখার কীর্তি আছে মাত্র দুটি দলের। ভিত্তোরিও পোজোর ইতালি সবার সর্বপ্রথম এই কীর্তি গড়েছিল। সেই রেকর্ডের দুই দশক পর পেলে-গারিঞ্চা জাদুতে মহাকাব্যের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছি ব্রাজিল। চিলির মাটিতে সেলেসাওদের সেই কীর্তির পর কেটে গেছে দীর্ঘ ৬৪ বছর! বিশ্বফুটবলে অনেক রাজা এসেছেন, সিংহাসন বদলেছে, কিন্তু মুকুট ধরে রাখতে পারেনি কেউ। ২০২২ সালে কাতারের মরুদ্যানে লিওনেল মেসির হাত ধরে ৩৬ বছরের খরা কাটিয়ে তৃতীয়বারের মতো সোনালী ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিল আলবিসেলেস্তেরা। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে এবার উত্তর আমেরিকার মাটিতে স্কালোনির শিষ্যদের সামনে সুযোগ ইতিহাসের সেই এলিট ক্লাবে প্রবেশ করার। ইতিহাস বলছে, শিরোপা ধরে রাখার এই মিশন কতটা কঠিন। ১৯৯৮ সালের চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স ২০২২ সালে টানা দ্বিতীয়বার ট্রফি ছোঁয়ার একদম দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছিল, কিন্তু লুসাইল স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার কাছেই পেনাল্টি শুটআউটে তাদের সেই স্বপ্ন চূর্ণ হয়। এরও আগে ১৯৯০ সালে দিয়েগো ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনাও ১৯৮৬-র শিরোপা ধরে রাখার ফাইনাল লড়াইয়ে জার্মানির কাছে হেরে অশ্রুসিক্ত চোখে মাঠ ছেড়েছিল। ফুট

ইতালি-ব্রাজিল পেরেছে, পারবে কি আর্জেন্টিনা?

ফুটবল বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের সুদীর্ঘ ইতিহাসে শিরোপা ধরে রাখার কীর্তি আছে মাত্র দুটি দলের। ভিত্তোরিও পোজোর ইতালি সবার সর্বপ্রথম এই কীর্তি গড়েছিল। সেই রেকর্ডের দুই দশক পর পেলে-গারিঞ্চা জাদুতে মহাকাব্যের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছি ব্রাজিল। চিলির মাটিতে সেলেসাওদের সেই কীর্তির পর কেটে গেছে দীর্ঘ ৬৪ বছর! বিশ্বফুটবলে অনেক রাজা এসেছেন, সিংহাসন বদলেছে, কিন্তু মুকুট ধরে রাখতে পারেনি কেউ।

২০২২ সালে কাতারের মরুদ্যানে লিওনেল মেসির হাত ধরে ৩৬ বছরের খরা কাটিয়ে তৃতীয়বারের মতো সোনালী ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিল আলবিসেলেস্তেরা। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে এবার উত্তর আমেরিকার মাটিতে স্কালোনির শিষ্যদের সামনে সুযোগ ইতিহাসের সেই এলিট ক্লাবে প্রবেশ করার।

ইতিহাস বলছে, শিরোপা ধরে রাখার এই মিশন কতটা কঠিন। ১৯৯৮ সালের চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স ২০২২ সালে টানা দ্বিতীয়বার ট্রফি ছোঁয়ার একদম দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছিল, কিন্তু লুসাইল স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার কাছেই পেনাল্টি শুটআউটে তাদের সেই স্বপ্ন চূর্ণ হয়।

এরও আগে ১৯৯০ সালে দিয়েগো ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনাও ১৯৮৬-র শিরোপা ধরে রাখার ফাইনাল লড়াইয়ে জার্মানির কাছে হেরে অশ্রুসিক্ত চোখে মাঠ ছেড়েছিল।

ফুটবল বিশ্বকাপের দ্বিতীয় আসরটি হয়েছিল ১৯৩৪ সালে। সেবার চেকোস্লোভাকিয়াকে ২-১ গোল ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয় ইতালি। পরের আসরে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে নামে তারা। ফাইনালে হাঙ্গেরির জালে চারবার বল পাঠায় ইতালি। পক্ষান্তরে মাত্র দুটি গোল হজ করলে ৪-২ ব্যবধানে শিরোপা জিতে নেয় তারা।

এরপর ১৯৫৮ ও ১৯৬২২ সালের বিশ্বকাপে টানা চ্যাম্পিয়ন হয় ব্রাজিল। তাতেই ইতালির গড়া রেকর্ডের ভাগ নেয় সেলেসাওরা। ১৯৫৮ সালের ফাইনালে সুইডেনকে ৫-২ গোলে এবং ১৯৬২ সালের বিশ্বকাপে চেকোস্লোভাকিয়াকে ৩-১ গোল ব্যবধানে হারায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

ইতালি-ব্রাজিলের পর টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ রয়েছে আর্জেন্টিনার সামেন। ২০২২ সালের বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে হারিয়ে ৩৬ বছরের খরা কাটায় আলবিসেলেস্তেরা। এবারও তারা রয়েছে দারুণ ছন্দে। ইতোমধ্যে উঠে গেছে কোয়ার্টার ফাইনালে। আর মাত্র তিনটি ম্যাচ জিততে পারলেই চতুর্থ শিরোপার পাশাপাশি টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কীর্তি গড়বে আর্জেন্টিনা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow