ইতিহাসের দুয়ারে দাঁড়িয়ে পেনাল্টি নষ্ট করে রেকর্ড গড়ার সুযোগ মিস মেসির!

বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল লিওনেল মেসির সামনে। ম্যাচের শুরুতেই পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারলেই তিনি বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যেতেন।  কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে সেই সুযোগ হাতছাড়া করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে পোস্টের বাইরে বল মেরে ক্যারিয়ারের ৩৩তম পেনাল্টি মিসের তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন তিনি। পোস্টের বাইরে দিয়ে বল মেরে দেন এলএম টেন। তার ডান দিকের পোস্টের বাইরে বল মারলেন। মেসির ক্যারিয়ারে এটি ৩৩তম পেনাল্টি মিস (ট্রান্সফারমার্কেট)। টাইব্রেকার বাদে এ পর্যন্ত মোট ১৪৯টি পেনাল্টি শট নিয়েছেন মেসি। তবে এবারের বিশ্বকাপে এটাই প্রথম পেনাল্টি মিসের ঘটনা। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ৮ মিনিটেই ফিফা বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়তে পারতেন লিওনেল মেসি। ডালাস স্টেডিয়ামে ‘জে’ গ্রুপের ম্যাচেই রেকর্ড গড়ার প্রথম সুযোগ ছিল আর্জেন্টিনা অধিনায়কের। কিন্তু পারলেন না। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে আক্রমণে যায় আর্জেন্টিনা। লাউতারো মার্টিনেজ বক্সে ঢোকার মাত্রই শ্লাগার ও পশের চ্যালেঞ্জের মুখে ডি-বক্সের ভেতরে পড়ে যান লাউতারো মার্টিনেজ। রেফারি ফাউলটি পুনরায় পরীক্ষা করতে ভিএআ

ইতিহাসের দুয়ারে দাঁড়িয়ে পেনাল্টি নষ্ট করে রেকর্ড গড়ার সুযোগ মিস মেসির!
বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল লিওনেল মেসির সামনে। ম্যাচের শুরুতেই পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারলেই তিনি বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যেতেন।  কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে সেই সুযোগ হাতছাড়া করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে পোস্টের বাইরে বল মেরে ক্যারিয়ারের ৩৩তম পেনাল্টি মিসের তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন তিনি। পোস্টের বাইরে দিয়ে বল মেরে দেন এলএম টেন। তার ডান দিকের পোস্টের বাইরে বল মারলেন। মেসির ক্যারিয়ারে এটি ৩৩তম পেনাল্টি মিস (ট্রান্সফারমার্কেট)। টাইব্রেকার বাদে এ পর্যন্ত মোট ১৪৯টি পেনাল্টি শট নিয়েছেন মেসি। তবে এবারের বিশ্বকাপে এটাই প্রথম পেনাল্টি মিসের ঘটনা। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ৮ মিনিটেই ফিফা বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়তে পারতেন লিওনেল মেসি। ডালাস স্টেডিয়ামে ‘জে’ গ্রুপের ম্যাচেই রেকর্ড গড়ার প্রথম সুযোগ ছিল আর্জেন্টিনা অধিনায়কের। কিন্তু পারলেন না। ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে আক্রমণে যায় আর্জেন্টিনা। লাউতারো মার্টিনেজ বক্সে ঢোকার মাত্রই শ্লাগার ও পশের চ্যালেঞ্জের মুখে ডি-বক্সের ভেতরে পড়ে যান লাউতারো মার্টিনেজ। রেফারি ফাউলটি পুনরায় পরীক্ষা করতে ভিএআর স্ক্রিনের দিকে এগিয়ে যান। অনেকক্ষণ অপেক্ষার পর রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়ে পেনাল্টির নির্দেশ দেন। মেসি শট নেওয়ার জন্য এগিয়ে যান। গোল করতে পারলেই বিশ্বকাপের ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যেতেন। কিন্তু মেসি প্রমাণ করলেন যে তিনিও একজন মানুষ! তিনি শটটি পোস্টের ডান দিক দিয়ে বাইরে মেরে দেন। গোলরক্ষক ঠিক দিক অনুমান করতে পেরেছিলেন, কিন্তু তাকে কোনো সেভ করতে হয়নি। ফলে জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার অপেক্ষাটা আরও বাড়ল আর্জেন্টাইন মহাতারকার। এবারের বিশ্বকাপে দুর্দান্ত জয়েই মিশন শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে নিজেদের শেষ আটটি ম্যাচেই জয় পেয়েছে তারা। এই সময়ে প্রতিপক্ষের জালে ২৪ গোল করেছে, বিপরীতে হজম করেছে মাত্র একটি। এর আগে ২০১৫ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৬ সালের জুন পর্যন্ত টানা নয় ম্যাচ জয়ের রেকর্ড গড়েছিল আলবিসেলেস্তেরা। এ ছাড়া ২০২২ বিশ্বকাপে সৌদি আরবের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে হারের পর থেকে বিশ্বকাপে টানা সাত ম্যাচ অপরাজিত রয়েছে আর্জেন্টিনা। এই সময়ে তাদের অর্জন পাঁচ জয় ও দুটি ড্র। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের বিপক্ষেও সাম্প্রতিক সময়ে বেশ সফল আর্জেন্টিনা। ইউরোপের দলের বিপক্ষে শেষ আটটি গ্রুপ ম্যাচে মাত্র একবার হেরেছে তারা। বাকি ম্যাচগুলোর মধ্যে চারটিতে জয় এবং তিনটিতে ড্র করেছে। একমাত্র হারটি আসে ২০১৮ বিশ্বকাপে। সেবার ক্রোয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে পরাজিত হয়েছিল তারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow