ইতিহাসে নিচু সারির দলের বিপক্ষে খেলে কোয়ার্টারে আর্জেন্টিনা

২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার পথে আর্জেন্টিনাকে অন্য যেকোনো দলের তুলনায় মোটামুটি সহজ প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলতে হয়েছে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে প্রতিপক্ষগুলোর গড় ফিফা র‍্যাঙ্কিং ছিল ৩৮। যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে সেমিফাইনালে ওঠা কোনো দলের জন্য সর্বোচ্চ গড় র‍্যাংকিং হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে। সেমিফাইনালে পৌঁছাতে আর্জেন্টিনা যেসব দলের মুখোমুখি হয়েছে (টুর্নামেন্ট শুরুর আগের ফিফা র‍্যাংকিং): • আলজেরিয়া: ২৮তম• অস্ট্রিয়া: ২৪তম• জর্ডান: ৬৩তম• কেপ ভার্দে: ৬৭তম• মিশর: ২৯তম• সুইজারল্যান্ড: ১৯তম এই ছয় প্রতিপক্ষের গড় ফিফা র‍্যাঙ্কিং দাঁড়ায় ৩৮, যা সেমিফাইনালে ওঠার পথে অন্য যেকোনো দলের তুলনায় বেশি। অর্থাৎ, বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের পথটি ছিল পরিসংখ্যানগতভাবে সবচেয়ে কঠিনগুলোর একটি। সেমিফাইনালে ওঠা অন্য দলগুলোর মধ্যে নরওয়ে ১৯.৭, বেলজিয়াম ২৮, মরক্কো ২৮.৭, স্পেন ৩০.৩, ফ্রান্স ৩১.৫, সুইজারল্যান্ড ৩২, ইংল্যান্ড ৩৪। এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নরওয়ের প্রতিপক্ষদের গড় ফিফা র‍্যাংকিং সবচেয়ে কম (১৯.৭), অর্থাৎ তাদের পথ ছিল সবচেয়ে কঠিন। অন্যদিকে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষদের গড় র‍্যাংকিং সবচেয়ে বেশি (৩৮.৩), অর্থাৎ ফিফা র‍্যাংকিংয়ে

ইতিহাসে নিচু সারির দলের বিপক্ষে খেলে কোয়ার্টারে আর্জেন্টিনা

২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার পথে আর্জেন্টিনাকে অন্য যেকোনো দলের তুলনায় মোটামুটি সহজ প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলতে হয়েছে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে প্রতিপক্ষগুলোর গড় ফিফা র‍্যাঙ্কিং ছিল ৩৮।

যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে সেমিফাইনালে ওঠা কোনো দলের জন্য সর্বোচ্চ গড় র‍্যাংকিং হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

সেমিফাইনালে পৌঁছাতে আর্জেন্টিনা যেসব দলের মুখোমুখি হয়েছে (টুর্নামেন্ট শুরুর আগের ফিফা র‍্যাংকিং):

• আলজেরিয়া: ২৮তম
• অস্ট্রিয়া: ২৪তম
• জর্ডান: ৬৩তম
• কেপ ভার্দে: ৬৭তম
• মিশর: ২৯তম
• সুইজারল্যান্ড: ১৯তম

এই ছয় প্রতিপক্ষের গড় ফিফা র‍্যাঙ্কিং দাঁড়ায় ৩৮, যা সেমিফাইনালে ওঠার পথে অন্য যেকোনো দলের তুলনায় বেশি। অর্থাৎ, বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের পথটি ছিল পরিসংখ্যানগতভাবে সবচেয়ে কঠিনগুলোর একটি।

সেমিফাইনালে ওঠা অন্য দলগুলোর মধ্যে নরওয়ে ১৯.৭, বেলজিয়াম ২৮, মরক্কো ২৮.৭, স্পেন ৩০.৩, ফ্রান্স ৩১.৫, সুইজারল্যান্ড ৩২, ইংল্যান্ড ৩৪।

এই পরিসংখ্যান অনুযায়ী, নরওয়ের প্রতিপক্ষদের গড় ফিফা র‍্যাংকিং সবচেয়ে কম (১৯.৭), অর্থাৎ তাদের পথ ছিল সবচেয়ে কঠিন। অন্যদিকে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষদের গড় র‍্যাংকিং সবচেয়ে বেশি (৩৮.৩), অর্থাৎ ফিফা র‍্যাংকিংয়ের হিসাবে তাদের প্রতিপক্ষ তুলনামূলকভাবে কম র‍্যাংকধারী ছিল।

তবে নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনাকে বড় পরীক্ষা দিতে হয়েছে। শেষ ৩২-এ তারা ৩-২ ব্যবধানে কেপ ভার্দেকে হারায়, এরপর শেষ ষোলোতে মিশরের বিপক্ষে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও অবিশ্বাস্যভাবে ৩-২ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে। পরে সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে।

আরআর/আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow