ইতিহাস গড়লেন ইউতো নাগাতোমো, বিশ্বকাপে কীর্তি গড়া প্রথম এশিয়ান ফুটবলার
জাপানের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ইউতো নাগাতোমো শুক্রবার বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন ইতিহাস গড়েছেন । ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ডালাসে গ্রুপ ‘এফ’-এর ম্যাচে সুইডেনের বিপক্ষে মাঠে নেমে পাঁচটি বিশ্বকাপে খেলা প্রথম এশিয়ান ফুটবলার হয়েছেন তিনি। ৩৯ বছর বয়সী নাগাতোমো এর আগে ২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা, ২০১৪ সালের ব্রাজিল, ২০১৮ সালের রাশিয়া, ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে জাপানের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৬ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তিনি নিজেকে বিশ্বের সবচেয়ে ধারাবাহিক ফুটবলারদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এই ম্যাচের মাধ্যমে নাগাতোমো বিশ্বকাপ ইতিহাসে পাঁচ বা তার বেশি আসরে খেলা দশম ফুটবলার হিসেবেও নাম লেখালেন। এই তালিকায় রয়েছেন লিওনেল মেসি (৬টি), ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (৬টি), লুকা মদ্রিচ (৫টি), লুইস সুয়ারেজ (৫টি), ম্যানুয়েল নয়্যার (৫টি), লোথার ম্যাথাউস (৫টি), আন্দ্রেস গার্দাদো (৫টি), রাফায়েল মার্কেস (৫টি), আন্তোনিও কারবাহাল (৫টি) এবং সর্বশেষ ইউতো নাগাতোমো (৫টি)। ইতিহাস গড়ার দিনে জাপানও নিশ্চিত করেছে নকআউট পর্বের টিকিট। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সুইডেনের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে দুই দলই শেষ ৩২-এ জায়গা করে নিয়েছে। প্রথমার্ধে
জাপানের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার ইউতো নাগাতোমো শুক্রবার বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন ইতিহাস গড়েছেন । ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ডালাসে গ্রুপ ‘এফ’-এর ম্যাচে সুইডেনের বিপক্ষে মাঠে নেমে পাঁচটি বিশ্বকাপে খেলা প্রথম এশিয়ান ফুটবলার হয়েছেন তিনি।
৩৯ বছর বয়সী নাগাতোমো এর আগে ২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা, ২০১৪ সালের ব্রাজিল, ২০১৮ সালের রাশিয়া, ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে জাপানের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৬ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে তিনি নিজেকে বিশ্বের সবচেয়ে ধারাবাহিক ফুটবলারদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
এই ম্যাচের মাধ্যমে নাগাতোমো বিশ্বকাপ ইতিহাসে পাঁচ বা তার বেশি আসরে খেলা দশম ফুটবলার হিসেবেও নাম লেখালেন। এই তালিকায় রয়েছেন লিওনেল মেসি (৬টি), ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (৬টি), লুকা মদ্রিচ (৫টি), লুইস সুয়ারেজ (৫টি), ম্যানুয়েল নয়্যার (৫টি), লোথার ম্যাথাউস (৫টি), আন্দ্রেস গার্দাদো (৫টি), রাফায়েল মার্কেস (৫টি), আন্তোনিও কারবাহাল (৫টি) এবং সর্বশেষ ইউতো নাগাতোমো (৫টি)।
ইতিহাস গড়ার দিনে জাপানও নিশ্চিত করেছে নকআউট পর্বের টিকিট। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সুইডেনের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে দুই দলই শেষ ৩২-এ জায়গা করে নিয়েছে।
প্রথমার্ধে দুই দলই রক্ষণে বেশি মনোযোগ দেওয়ায় পরিষ্কার গোলের সুযোগ খুব কমই তৈরি হয়। জাপান বলের দখল ও মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে থাকলেও সুইডেনের রক্ষণ ছিল সুসংগঠিত।
বিরতির আগেই দুই দলই ইনজুরির ধাক্কা খায়। সুইডেনের ডিফেন্ডার ইসাক হিয়েন চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন। অন্যদিকে জাপানও ৩৯তম মিনিটে ডিফেন্ডার কো ইতাকুরাকে তুলে নিতে বাধ্য হয়। প্রথমার্ধে জাপানের সেরা সুযোগটি নষ্ট করেন কেইতো নাকামুরা। তার শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন সুইডেনের গোলরক্ষক জ্যাকব উইডেল জেটারস্ট্রম। ফলে বিরতিতে স্কোরলাইন ছিল ০-০।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই এগিয়ে যায় জাপান। ৫৬তম মিনিটে ইউকিনারি সুগাওয়ারা, রিতসু দোয়ান ও আয়াসে উয়েদার দারুণ সমন্বয়ে গড়ে ওঠা আক্রমণ থেকে গোল করেন দাইজেন মায়েদা। নিখুঁত সময়ে দৌড়ে গিয়ে ঠান্ডা মাথায় বল জড়িয়ে দেন জালে।
তবে জাপানের সেই আনন্দ স্থায়ী হয় মাত্র ছয় মিনিট। ৬২তম মিনিটে সুইডেনের হয়ে সমতা ফেরান অ্যান্থনি এলাঙ্গা। আলগা বল দখলে নিয়ে প্রান্ত থেকে ভেতরে ঢুকে দুর্দান্ত বাঁকানো শটে জাপানের গোলরক্ষক জায়ন সুজুকিকে পরাস্ত করেন তিনি।
শেষদিকে দুই দলই ফল ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে একাধিক পরিবর্তন আনে। সুইডেন কয়েকটি সেট-পিস থেকে চাপ সৃষ্টি করলেও জাপানের গোলরক্ষক জায়ন সুজুকি আত্মবিশ্বাসী পারফরম্যান্সে দলকে রক্ষা করেন।
শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের ড্রয়ে দুই দলই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করে। জাপান অপরাজিত থেকেই গ্রুপ পর্ব শেষ করেছে, আর সুইডেনও শেষ ৩২-এর টিকিট নিশ্চিত করেছে।
আরএএইচইউএল/এসকেডি/এএসএম
What's Your Reaction?