ইনজুরি নিয়ে চিন্তা নয়, ‘বিশ্বাস’ রাখতে চান বাংলাদেশ অধিনায়ক
অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে একের পর এক ইনজুরিতে জর্জরিত বাংলাদেশ দল। চোটের কারণে পুরো সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন নাহিদ রানা। প্রথম টেস্টে নেই শরিফুল ইসলাম ও লিটন কুমার দাস। স্বাভাবিকভাবেই দল নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে সমর্থকদের মধ্যে। তবে এসব নিয়ে একটুও বিচলিত নন বাংলাদেশ টেস্ট দলের অধিনায়ক। তার বিশ্বাস, যারা দলে আছেন, তারাই অস্ট্রেলিয়ার মতো কঠিন সফরে নিজেদের প্রমাণ করার সামর্থ্য রাখেন। বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে ইনজুরি প্রসঙ্গে শান্ত বলেন, ‘ইনজুরির বিষয়টা আসলে আমাদের কারো নিয়ন্ত্রণে নেই। যেকোনো সময় যেকোনো খেলোয়াড় ইনজুরড হতে পারে। তবে আমার মনে হয় যে দলটা আমাদের অস্ট্রেলিয়াতে যাচ্ছে, এই দলের ওপর পুরোপুরি বিশ্বাস আছে যে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারব। কোন খেলোয়াড় থাকলে ভালো হতো বা আরও বেটার হতো, এগুলো নিয়ে চিন্তা করাটা এখন যৌক্তিক হবে না। আমার মনে হয় কত ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি এই দলটা নিয়ে এবং দলের ওপর কতটুকু বিশ্বাস রাখতে পারি সেটাই গুরুত্বপূর্ণ, যা আমার আছে।’ শান্তর মতে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ইনজুরি বাস্তবতা। তাই সবসময় সেরা একাদশ পাওয়া যাবে-এমন ভাবনা নিয়েই এগোনো সম্ভব নয়। বরং সুযোগ পাওয়া ক্র
অস্ট্রেলিয়া সফরের আগে একের পর এক ইনজুরিতে জর্জরিত বাংলাদেশ দল। চোটের কারণে পুরো সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন নাহিদ রানা। প্রথম টেস্টে নেই শরিফুল ইসলাম ও লিটন কুমার দাস। স্বাভাবিকভাবেই দল নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে সমর্থকদের মধ্যে। তবে এসব নিয়ে একটুও বিচলিত নন বাংলাদেশ টেস্ট দলের অধিনায়ক। তার বিশ্বাস, যারা দলে আছেন, তারাই অস্ট্রেলিয়ার মতো কঠিন সফরে নিজেদের প্রমাণ করার সামর্থ্য রাখেন।
বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে ইনজুরি প্রসঙ্গে শান্ত বলেন, ‘ইনজুরির বিষয়টা আসলে আমাদের কারো নিয়ন্ত্রণে নেই। যেকোনো সময় যেকোনো খেলোয়াড় ইনজুরড হতে পারে। তবে আমার মনে হয় যে দলটা আমাদের অস্ট্রেলিয়াতে যাচ্ছে, এই দলের ওপর পুরোপুরি বিশ্বাস আছে যে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারব। কোন খেলোয়াড় থাকলে ভালো হতো বা আরও বেটার হতো, এগুলো নিয়ে চিন্তা করাটা এখন যৌক্তিক হবে না। আমার মনে হয় কত ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি এই দলটা নিয়ে এবং দলের ওপর কতটুকু বিশ্বাস রাখতে পারি সেটাই গুরুত্বপূর্ণ, যা আমার আছে।’
শান্তর মতে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ইনজুরি বাস্তবতা। তাই সবসময় সেরা একাদশ পাওয়া যাবে-এমন ভাবনা নিয়েই এগোনো সম্ভব নয়। বরং সুযোগ পাওয়া ক্রিকেটারদের ওপর আস্থা রাখাটাই গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, ‘নাহিদ রানা, শরিফুল বা লিটন দাস অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। তবে যারা দলে আছে তারাও অনেক বছর ধরে খেলছে। যারা সুযোগ পেয়েছে তাদের জন্য এটা একটা বড় সুযোগ ভালো করার। অধিনায়ক হিসেবে সবসময় সেরা খেলোয়াড়দের পাব এটা আশা করা ঠিক হবে না। যারা সুযোগ পাবে তাদের ওপর আমার পূর্ণ বিশ্বাস আছে।’
পেস আক্রমণ নিয়েও আশাবাদী অধিনায়ক। তার বিশ্বাস, বর্তমান বোলিং ইউনিট নিজেদের সামর্থ্যের সেরাটা দিতে পারলে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেও প্রতিপক্ষকে চাপে রাখা সম্ভব।
শান্ত বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়াতে যে কন্ডিশন থাকে, সেখানে অবশ্যই একই প্রত্যাশা আছে যে তারা ২০ উইকেট নিয়ে দেবে। পাশাপাশি দুইজন ভালো অভিজ্ঞ স্পিনারও আছে, তারা পেস বোলারদের সাহায্য করবে। স্কোয়াডে যে পেস বোলাররা আছে তারা সক্ষম এবং মুশফিক ছাড়া সবাই অভিজ্ঞ, অনেক বছর ধরে খেলছে। তারা যদি তাদের সেরা বোলিংটা করতে পারে, অবশ্যই ২০ উইকেট নেওয়া সম্ভব।’
এসকেডি/এমএমআর
What's Your Reaction?