ইনোভেশনের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সম্ভব: এনইউবি ভিসি

নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে (এনইউবি) অ্যাক্টিভেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এই প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, ইনোভেশন এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা জীবনকে সফল করে। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা এখনও অনেকটাই ঐতিহ্যভিত্তিক। অন্যদিকে বিদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় ক্লাসগুলো অনেক বেশি ইনোভেটিভ। সময় এসেছে মানসিকতা পরিবর্তনের। প্রতিবছর আমাদের দেশে লাখ লাখ গ্রাজুয়েট বের হচ্ছে, কিন্তু সে তুলনায় মার্কেটে পর্যাপ্ত চাকরি নেই। ইনোভেশনের মাধ্যমেই নতুন জব সৃষ্টি করা সম্ভব। তিনি আরও বলেন, শুধু প্রডাক্ট ইনোভেশনে ফোকাস করলে হবে না, আমাদের প্রসেস ইনোভেশনের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। ইনোভেশন আমাদের লাইফ লাইন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগে নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ উন্মুক্তভাবে কাজ করতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি। অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা বলেন, আইডিয়া হলো আতুর ঘর। আইডিয়াকে বাস্তব কাজে পরিণত করতে হবে। প্রকৃত সমস্যার ও

ইনোভেশনের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সম্ভব: এনইউবি ভিসি

নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে (এনইউবি) অ্যাক্টিভেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এই প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, ইনোভেশন এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা জীবনকে সফল করে। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা এখনও অনেকটাই ঐতিহ্যভিত্তিক। অন্যদিকে বিদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় ক্লাসগুলো অনেক বেশি ইনোভেটিভ। সময় এসেছে মানসিকতা পরিবর্তনের। প্রতিবছর আমাদের দেশে লাখ লাখ গ্রাজুয়েট বের হচ্ছে, কিন্তু সে তুলনায় মার্কেটে পর্যাপ্ত চাকরি নেই। ইনোভেশনের মাধ্যমেই নতুন জব সৃষ্টি করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, শুধু প্রডাক্ট ইনোভেশনে ফোকাস করলে হবে না, আমাদের প্রসেস ইনোভেশনের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। ইনোভেশন আমাদের লাইফ লাইন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগে নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ উন্মুক্তভাবে কাজ করতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা বলেন, আইডিয়া হলো আতুর ঘর। আইডিয়াকে বাস্তব কাজে পরিণত করতে হবে। প্রকৃত সমস্যার ওপর ফোকাস করতে হবে এবং সেই আইডিয়াটি মানুষের সামনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে জানতে হবে। তারা ইনোভেশনে ভাবনার গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি ফান্ডিং প্রসেস, আইডিয়ার সফলতা ও ব্যর্থতা নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক আলোচনা করেন।

ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ একাডেমি (আইডিয়া), আইসিটি ডিভিশন, বাংলাদেশ সরকার আয়োজিত এই প্রোগ্রামে ক্যাম্পাস পার্টনার হিসেবে ছিল নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ। প্রোগ্রামে এনইউবির নির্বাচিত ১০০ শিক্ষার্থী এবং ৩টি স্টার্ট-আপ টিমের ৯ জন শিক্ষার্থী স্টার্ট-আপ পিচিংয়ে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আইডিয়া প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত স্টার্টআপগুলোর জন্য প্রি-সিড ফান্ডিং হিসেবে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থায়নের সুযোগ রয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইডিয়া প্রকল্প, আইসিটি ডিভিশনের জয়েন্ট সেক্রেটারি ও প্রজেক্ট ডিরেক্টর মুর্তজা জুলকার নাঈন নোমান, ডেপুটি সেক্রেটারি ও ডেপুটি প্রজেক্ট ডিরেক্টর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান এবং সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও হেড অব অপারেশন সিদ্ধার্থ গোস্বামী।

স্টার্ট-আপ পিচিং সেশনের শেষে নির্বাচিত দলগুলোর মধ্যে বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নেটওয়ার্কিং সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow