ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই থেকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মো. হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার প্রধান আসামি আরিফ সরকারকে (৪০) ইন্টারপোলের সহায়তায় গ্রেপ্তার করে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৭মে) বিকেলে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) নরসিংদী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব তথ্য যানানো হয়। এর আগে বুধবার দুবাই পুলিশ আরিফ সরকারকে বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে এবং তাকে দেশে এনে শিবপুর থানা পুলিশের মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হয়। গ্রেপ্তারকৃত আরিফ সরকার শিবপুর উপজেলার পুটিয়া কামারগাঁও এলাকার হাফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি ছিলেন। এর মাধ্যমে এই হত্যা  মামলার ১২ জন আসামির মধ্যে সবাইকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। পুলিশ ব্যুরো অব ইভেস্টিগেশন (পিবিআই) নরসিংদী ও মামলার বিবরনের মাধ্যমে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে নিজ বাসায় আলহাজ মো. হারুনুর রশিদ খান দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩১ মে মারা যান। এই ঘটনায় নিহতের ছেলে আমানুর রশিদ বাদী হয়ে আসামি আরিফ সরকারকে প্রধান আসামি করে ১২ জনের নামে শিবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা

ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই থেকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ মো. হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার প্রধান আসামি আরিফ সরকারকে (৪০) ইন্টারপোলের সহায়তায় গ্রেপ্তার করে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৭মে) বিকেলে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) নরসিংদী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব তথ্য যানানো হয়। এর আগে বুধবার দুবাই পুলিশ আরিফ সরকারকে বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে এবং তাকে দেশে এনে শিবপুর থানা পুলিশের মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হয়। গ্রেপ্তারকৃত আরিফ সরকার শিবপুর উপজেলার পুটিয়া কামারগাঁও এলাকার হাফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি ছিলেন। এর মাধ্যমে এই হত্যা  মামলার ১২ জন আসামির মধ্যে সবাইকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। পুলিশ ব্যুরো অব ইভেস্টিগেশন (পিবিআই) নরসিংদী ও মামলার বিবরনের মাধ্যমে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে নিজ বাসায় আলহাজ মো. হারুনুর রশিদ খান দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩১ মে মারা যান। এই ঘটনায় নিহতের ছেলে আমানুর রশিদ বাদী হয়ে আসামি আরিফ সরকারকে প্রধান আসামি করে ১২ জনের নামে শিবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।  পরে পুলিশ হেডেকোয়াটার্সের নির্দেশে পিবিআই নরসিংদী মামলার তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে। পরে ঘটনায় জড়িত অন্যতম আসামি মহসীন সরকারকে দুবাই থেকে গ্রেপ্তার করে দেশে এনে আদালতে প্রেরণ করা হলে আরিফ সরকারসহ অন্যান্য আসামিদের ঘটনায় জড়িত থাকা ও পরিকল্পনার বিষয়ে গুরুত্ত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। এরই ধারাবাহিকতায় হত্যা মামলার প্রধান আসামি আরিফ সরকারের অবস্থান দুবাইতে নিশ্চিত হয় পিবিআই। পরে ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই পুলিশের মাধ্যমে আরিফকে গ্রেপ্তার করে দেশে নিয়ে আসা হয় এবং শিবপুর থানা পুলিশের মাধ্যমে আদালতে  পাঠানো হয়। এরইমধ্যে মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হয়েছে। অন্যদিকে পূর্বে গ্রেপ্তার হওয়া সবাইকে জামিনে মুক্ত রয়েছে বলেও জানায় পিবিআই।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow