ইন্ডাস্ট্রির নায়করা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন: ইমরান হাশমি

সন্দীপ রেড্ডি বঙ্গার ব্লকবাস্টার ছবি ‘অ্যানিম্যাল’ যখন অতি-পুরুষত্ব বা ‘টক্সিক ম্যাসকুলিনিটি’র অভিযোগে বিদ্ধ, তখন স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে ছবিটির প্রশংসা করেছিলেন ইমরান হাশমি। সাম্প্রতিক সময়ে বলিউড ছবিগুলোতে আগ্রাসী প্রেম ও নারীবিদ্বেষ নিয়ে চলা তুমুল বিতর্কের মাঝেই এবার ভারতীয় গণমাধ্যমে নিজের স্পষ্ট অবস্থান জানালেন এই অভিনেতা। তার মতে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ওক কালচার’ বা অতি-সচেতনতার বুলি আওড়ালেও দিনশেষে দর্শক পর্দায় সেই ‘আলফা মেল’ বা দাপুটে পুরুষকেই দেখতে চায়। ইমরান হাশমি মনে করেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিগুলো নিয়ে যে শোরগোল হয়, তা বাস্তব চিত্র নয়। তিনি বলেন, “সারা বিশ্বে এখন একটা ‘ওক কালচার’ শুরু হয়েছে। যে অতি-পুরুষালি চরিত্রটিকে এখানে ‘টক্সিক’ বা বিষাক্ত বলা হচ্ছে, প্রেক্ষাগৃহে সেই চরিত্রটিই রাজত্ব করছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোল হলেও মানুষ কিন্তু এই ছবিগুলো দেখার জন্যই টিকিট কিনছে। আমাদের দেশ মূলত এমনই।” তার মতে, রণবীর কাপুরের ‘অ্যানিম্যাল’ সফল হয়েছে কারণ এটি তথাকথিত ‘ওক ব্রিগেড’-এর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। অনেক পুরুষ এই ছবির চরিত্রের সঙ্গে নিজেদের মেলাতে পেরেছিলেন বলেই এটি বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে।

ইন্ডাস্ট্রির নায়করা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন: ইমরান হাশমি

সন্দীপ রেড্ডি বঙ্গার ব্লকবাস্টার ছবি ‘অ্যানিম্যাল’ যখন অতি-পুরুষত্ব বা ‘টক্সিক ম্যাসকুলিনিটি’র অভিযোগে বিদ্ধ, তখন স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে ছবিটির প্রশংসা করেছিলেন ইমরান হাশমি। সাম্প্রতিক সময়ে বলিউড ছবিগুলোতে আগ্রাসী প্রেম ও নারীবিদ্বেষ নিয়ে চলা তুমুল বিতর্কের মাঝেই এবার ভারতীয় গণমাধ্যমে নিজের স্পষ্ট অবস্থান জানালেন এই অভিনেতা। তার মতে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ওক কালচার’ বা অতি-সচেতনতার বুলি আওড়ালেও দিনশেষে দর্শক পর্দায় সেই ‘আলফা মেল’ বা দাপুটে পুরুষকেই দেখতে চায়।

ইমরান হাশমি মনে করেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিগুলো নিয়ে যে শোরগোল হয়, তা বাস্তব চিত্র নয়। তিনি বলেন, “সারা বিশ্বে এখন একটা ‘ওক কালচার’ শুরু হয়েছে। যে অতি-পুরুষালি চরিত্রটিকে এখানে ‘টক্সিক’ বা বিষাক্ত বলা হচ্ছে, প্রেক্ষাগৃহে সেই চরিত্রটিই রাজত্ব করছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোল হলেও মানুষ কিন্তু এই ছবিগুলো দেখার জন্যই টিকিট কিনছে। আমাদের দেশ মূলত এমনই।”

তার মতে, রণবীর কাপুরের ‘অ্যানিম্যাল’ সফল হয়েছে কারণ এটি তথাকথিত ‘ওক ব্রিগেড’-এর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। অনেক পুরুষ এই ছবির চরিত্রের সঙ্গে নিজেদের মেলাতে পেরেছিলেন বলেই এটি বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে।

নারীকেন্দ্রিক সিনেমার প্রয়োজনীয়তার কথা বললেও ইন্ডাস্ট্রির পুরুষ অভিনেতাদের মানসিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ইমরান। তিনি অকপটে স্বীকার করেন, “আমাদের ইন্ডাস্ট্রির নায়করা খুব নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। ‘দ্য ডার্টি পিকচার’-এর মতো ছবি আর ক’জন নায়ক করত? প্রতিটি গল্পেই তারা নিজেদের বিজয় দেখতে চায়। কিন্তু আমি সেসময় ওই কাজটি করেছিলাম কারণ আমার বিষয়বস্তু ভালো লেগেছিল।”

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, মুখে বলা যত সহজ, নারীকেন্দ্রিক ছবিতে কাজ করা পুরুষ অভিনেতাদের জন্য ততটা সহজ নয়।

বর্তমান সিনেমার গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ইমরান টেনে আনেন ৭০ ও ৮০-এর দশকের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, “আজ প্রেক্ষাগৃহে যা চলছে, তা খুব স্পষ্ট। দর্শকের এখন একজন অতি-পুরুষালি নায়ক, একজন ভয়ংকর খলনায়ক এবং সেই চেনা ছক বা ক্লিশেগুলোর প্রয়োজন। অমিতাভ বচ্চন বা বিনোদ খান্নার ‘দিওয়ার’ বা ‘ত্রিশূল’-এর মতো ছবিগুলো এই ফর্মুলাতেই সফল হয়েছিল।”

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow