‘ইন্ডিয়ান আইডল’ বিজয়ী গায়ক আর নেই

নেপালি গায়ক ও অভিনেতা প্রশান্ত তামাং আর নেই। ‘ইন্ডিয়ান আইডল ৩’-এর বিজয়ী হিসেবে যিনি একসময় উপমহাদেশজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছিলেন, তার আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বিনোদন অঙ্গনে। রোববার ১১ জানুয়ারি সকালে দিল্লির দ্বারকা এলাকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৩ বছর। জানা গেছে, অরুণাচল প্রদেশে একটি গানের অনুষ্ঠান শেষ করে সম্প্রতি দিল্লিতে ফিরেছিলেন প্রশান্ত তামাং। এর আগে তার কোনো শারীরিক অসুস্থতার খবর পাওয়া যায়নি। ফলে হঠাৎ মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার, সহকর্মী ও ভক্তদের মধ্যে গভীর শোক ও বিস্ময় দেখা দিয়েছে। ১৯৮৩ সালের ৪ জানুয়ারি দার্জিলিংয়ে জন্ম নেওয়া প্রশান্ত তামাং স্ত্রী ও কন্যার সঙ্গে সেখানেই বসবাস করতেন। কাজের প্রয়োজনে নিয়মিত দেশ-বিদেশে যাতায়াত করলেও তিনি কখনো মুম্বাইয়ে স্থায়ীভাবে থাকেননি। সংগীতজগতে পরিচিতি পাওয়ার আগে একসময় তিনি কলকাতা পুলিশে কর্মরত ছিলেন। সেখান থেকেই মূলত তার গানের যাত্রার সূচনা। এক সাক্ষাৎকারে প্রশান্ত তামাং জানিয়েছিলেন, কলকাতা পুলিশের এক সহকর্মীর কাছ থেকে তিনি বাংলা ভাষা শিখতেন এবং বিনিময়ে তাকে নেপালি ভাষা শেখাত

‘ইন্ডিয়ান আইডল’ বিজয়ী গায়ক আর নেই

নেপালি গায়ক ও অভিনেতা প্রশান্ত তামাং আর নেই। ‘ইন্ডিয়ান আইডল ৩’-এর বিজয়ী হিসেবে যিনি একসময় উপমহাদেশজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছিলেন, তার আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বিনোদন অঙ্গনে। রোববার ১১ জানুয়ারি সকালে দিল্লির দ্বারকা এলাকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৩ বছর।

জানা গেছে, অরুণাচল প্রদেশে একটি গানের অনুষ্ঠান শেষ করে সম্প্রতি দিল্লিতে ফিরেছিলেন প্রশান্ত তামাং। এর আগে তার কোনো শারীরিক অসুস্থতার খবর পাওয়া যায়নি। ফলে হঠাৎ মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার, সহকর্মী ও ভক্তদের মধ্যে গভীর শোক ও বিস্ময় দেখা দিয়েছে।

১৯৮৩ সালের ৪ জানুয়ারি দার্জিলিংয়ে জন্ম নেওয়া প্রশান্ত তামাং স্ত্রী ও কন্যার সঙ্গে সেখানেই বসবাস করতেন। কাজের প্রয়োজনে নিয়মিত দেশ-বিদেশে যাতায়াত করলেও তিনি কখনো মুম্বাইয়ে স্থায়ীভাবে থাকেননি। সংগীতজগতে পরিচিতি পাওয়ার আগে একসময় তিনি কলকাতা পুলিশে কর্মরত ছিলেন। সেখান থেকেই মূলত তার গানের যাত্রার সূচনা।

এক সাক্ষাৎকারে প্রশান্ত তামাং জানিয়েছিলেন, কলকাতা পুলিশের এক সহকর্মীর কাছ থেকে তিনি বাংলা ভাষা শিখতেন এবং বিনিময়ে তাকে নেপালি ভাষা শেখাতেন। সহকর্মীদের অনুপ্রেরণাতেই তিনি ‘ইন্ডিয়ান আইডল’-এর অডিশনে অংশ নেন। পরে প্রতিযোগিতার তৃতীয় আসরের শিরোপা জয় করে রাতারাতি জনপ্রিয়তায় পৌঁছে যান।

সংগীতের পাশাপাশি নেপালি চলচ্চিত্রেও নিয়মিত অভিনয় করেছেন প্রশান্ত তামাং। সাম্প্রতিক সময়ে জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘পাতাললোক ২’-এ খলচরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে আবারও দর্শকদের নজর কাড়েন এবং প্রশংসা অর্জন করেন।

প্রতিভাবান এই শিল্পীর অকালপ্রয়াণে সংগীত ও অভিনয় জগৎ হারাল এক উজ্জ্বল ও সম্ভাবনাময় তারকাকে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow