ইমাম আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সংরক্ষিত আলোকচিত্র প্রকাশ

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ইমাম আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলি খামেনির শেষকৃত্যের প্রথম ধাপের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় এই আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। প্রথম ধাপে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। ইসলামি প্রজাতন্ত্র বার্তা সংস্থা (ইরনা) শহিদ ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির নেতৃত্বকালীন সময়ের (১৯৮৯–১৯৯৩) প্রথম সংরক্ষিত আলোকচিত্র সংকলন প্রকাশ করেছে। সংকলনে তার নেতৃত্বের শুরুর দিকের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক, ধর্মীয়, সামাজিক ও সামরিক ঘটনাবলি, বিভিন্ন প্রদেশ সফর এবং দেশি-বিদেশি ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের আলোকচিত্র স্থান পেয়েছে। আয়াতুল্লাহ খামেনি ১৯৮৯ সালের ৪ জুন ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আইআরএনএর তথ্যমতে, তিনি ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি শহিদ হন। বর্তমানে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, প্রায় ১০০টি দেশের প্রতিনিধি, অন্তত আটজন সরকারপ্রধান, ১২টি দেশের পার্লামেন্ট স্পিকার এবং বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিশেষ দূত শেষকৃত্যে অংশ নেবেন। তবে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট

ইমাম আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সংরক্ষিত আলোকচিত্র প্রকাশ

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ইমাম আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলি খামেনির শেষকৃত্যের প্রথম ধাপের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় এই আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।

ছবি: ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা (ইরনা)

প্রথম ধাপে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

ইসলামি প্রজাতন্ত্র বার্তা সংস্থা (ইরনা) শহিদ ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির নেতৃত্বকালীন সময়ের (১৯৮৯–১৯৯৩) প্রথম সংরক্ষিত আলোকচিত্র সংকলন প্রকাশ করেছে।

সংকলনে তার নেতৃত্বের শুরুর দিকের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক, ধর্মীয়, সামাজিক ও সামরিক ঘটনাবলি, বিভিন্ন প্রদেশ সফর এবং দেশি-বিদেশি ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের আলোকচিত্র স্থান পেয়েছে।

আয়াতুল্লাহ খামেনি ১৯৮৯ সালের ৪ জুন ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আইআরএনএর তথ্যমতে, তিনি ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি শহিদ হন।

ছবি: ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা (ইরনা)

বর্তমানে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, প্রায় ১০০টি দেশের প্রতিনিধি, অন্তত আটজন সরকারপ্রধান, ১২টি দেশের পার্লামেন্ট স্পিকার এবং বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিশেষ দূত শেষকৃত্যে অংশ নেবেন। তবে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে সমর্থন দেওয়া কয়েকটি ইউরোপীয় দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ইরানি কর্মকর্তাদের ধারণা, ১ কোটি ৫০ লাখ থেকে ২ কোটি মানুষ এ শোকানুষ্ঠানে অংশ নিতে পারেন।

ছবি: ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা (ইরনা)

শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা কয়েকদিন চলবে। আগামী সোমবার তেহরানে জানাজা ও শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর কুম, ইরাকের বাগদাদ, কারবালা ও নাজাফে ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষে ৯ জুলাই মাশহাদে আলি খামেনিকে দাফন করা হবে।

ছবি: ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা (ইরনা)

প্রসঙ্গত, জেনেভা শহরে আলোচনা চলা অবস্থায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালায় মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথবাহিনী।

ছবি: ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা (ইরনা)

এতে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশকিছু শীর্ষ কর্মকর্তা নিহত হন। এর প্রতিবাদে ৩৯ দিনে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ১০০ দফা হামলা চালায় ইরান।

ছবি: ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা (ইরনা)

এরপর ইরানের ১০ দফা প্রস্তাবের ভিত্তিতে ৭ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেন ট্রাম্প। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় এবং ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে সরাসরি বৈঠক করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

ছবি: ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা (ইরনা)

আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়া ১৩ এপ্রিল হরমুজে নৌ-অবরোধ আরোপ করা হয়। এরপর কয়েক দফা যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ান ট্রাম্প।

ছবি: ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা (ইরনা)

সর্বশেষ, ইরানের ১৪ দফা শর্তের ভিত্তিতে ১৪ জুন একটি সমঝোতা স্মারক ভার্চুয়ালি স্বাক্ষর করে দুই পক্ষ। অ্যাক্সিওস এর সংবাদের তথ্য মতে, ১৪ দফার ভিত্তিতে দুই পক্ষ ৬০ দিনের জন্য আলোচনায় সম্মত হয়েছে এবং ইরানের ওপর হামলা তথা যুদ্ধ বন্ধের বিনিময়ে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হয়েছে।

ছবি: ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা (ইরনা)

ইরানের লিগ্যাল মেডিসিন সংস্থার তথ্যমতে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত সংঘাতে মোট ৩ হাজার ৩৭৫ জন নিহত হন, যার মধ্যে ২ হাজার ৮৭৫ জন পুরুষ এবং ৪৯৬ জন নারী। এছাড়া জরুরি চিকিৎসা বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধে ১১৮ জন চিকিৎসাকর্মী আহত হন এবং ২৬ জন নিহত হন।

কেএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow