ইরাকে মার্কিন উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬
ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি জ্বালানি সরবরাহকারী উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে নিহত সেনার সংখ্যা বেড়ে ৬ জন হয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী চারজনের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করে জানিয়েছিল, নিখোঁজ দুজনকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। এদিকে, ইরাকের ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর জোট ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ উড়োজাহাজটি ভূপাতিত করার দাবি করেছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুটি পৃথক বিবৃতিতে এই জোট দাবি করে, তাদের যোদ্ধারা ‘উপযুক্ত অস্ত্র দিয়ে’ একটি কেসি-১৩৫ উড়োজাহাজ ভূপাতিত করেছে। একই ধরনের দ্বিতীয় উড়োজাহাজটিতেও আঘাত হানা হয়। পরে সেটি ‘শত্রুদের’ একটি বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক আরও জানায়, ইরাকের সার্বভৌমত্ব ও আকাশসীমা রক্ষায় এ অভিযান চালানো হয়েছে। কারণ, দখলদার বাহিনীর উড়োজাহাজ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে। অন্য আরেকটি বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি তাদের সাম্প্রতিক তৎপরতার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে। তারা দাবি করেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় তাদের যোদ্ধারা কয়েক ডজন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার ক
ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি জ্বালানি সরবরাহকারী উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে নিহত সেনার সংখ্যা বেড়ে ৬ জন হয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী চারজনের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করে জানিয়েছিল, নিখোঁজ দুজনকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
এদিকে, ইরাকের ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর জোট ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ উড়োজাহাজটি ভূপাতিত করার দাবি করেছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) দুটি পৃথক বিবৃতিতে এই জোট দাবি করে, তাদের যোদ্ধারা ‘উপযুক্ত অস্ত্র দিয়ে’ একটি কেসি-১৩৫ উড়োজাহাজ ভূপাতিত করেছে। একই ধরনের দ্বিতীয় উড়োজাহাজটিতেও আঘাত হানা হয়। পরে সেটি ‘শত্রুদের’ একটি বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।
ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক আরও জানায়, ইরাকের সার্বভৌমত্ব ও আকাশসীমা রক্ষায় এ অভিযান চালানো হয়েছে। কারণ, দখলদার বাহিনীর উড়োজাহাজ আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করছে।
অন্য আরেকটি বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি তাদের সাম্প্রতিক তৎপরতার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে। তারা দাবি করেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় তাদের যোদ্ধারা কয়েক ডজন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরাক ও এ অঞ্চলে থাকা ‘দখলদারদের ঘাঁটিতে’ ৩১টি অভিযান চালিয়েছে।
তবে এই দাবি অস্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টকম। সংস্থাটি বৃহস্পতিবার জানায়, বন্ধুত্বপূর্ণ আকাশসীমায় এ ঘটনা ঘটেছে। তবে ঘটনাটি শত্রুপক্ষের হামলা বা বন্ধুত্বপূর্ণ গুলিবর্ষণের কারণে ঘটেনি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ওই হামলার জবাবে ইসরায়েল ও পুরো মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরান। এর জেরে ওই অঞ্চলে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে, যার প্রভাব পড়েছে জ্বালানির আন্তর্জাতিক বাজারে
সূত্র: আল-জাজিরা
এসএএইচ
What's Your Reaction?