ইরাকে মার্কিন স্থাপনায় ৬০০ বার হামলা চালায় ইরান
ইরান যুদ্ধ চলাকালে ইরাকে মার্কিন স্থাপনাগুলোর ওপর ৬০০টিরও বেশি হামলা চালানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সিএনএনকে এমন তথ্য দেন। সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকের বাগদাদে মার্কিন দূতাবাস, ইউএস ডিপ্লোম্যাটিক সাপোর্ট সেন্টার এবং এরবিলে মার্কিন কনস্যুলেট লক্ষ্য করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইরাকে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস সতর্ক করে বলেছে, ‘ইরানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ইরাকি সন্ত্রাসী মিলিশিয়ারা ইরাকজুড়ে, এমনকি ইরাকি কুর্দিস্তান অঞ্চলেও (আইকেআর), মার্কিন নাগরিক ও যুক্তরাষ্ট্র-সম্পর্কিত স্থাপনাগুলোতে আরও হামলার পরিকল্পনা করছে।’ যুক্তরাষ্ট্র আরো দাবি করেছে, ইরাক সরকারের কিছু অংশ এসব মিলিশিয়াকে রাজনৈতিক ও আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে। দেশে ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নিতে ইরাক সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পররাষ্ট্র দপ্তরের ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মঙ্গলবার বলেন, ইরাকের নেতারা ‘যুক্তরাষ্ট্র কী চায়, তা বুঝতে পারছেন।’ তিনি জানান, তারা এখন ‘কথা নয়, কাজ’ দেখতে চান। তাদের মতে, ইরাক সরকার ও এসব মিলিশিয়ার মধ্যে সীমারেখা স্পষ
ইরান যুদ্ধ চলাকালে ইরাকে মার্কিন স্থাপনাগুলোর ওপর ৬০০টিরও বেশি হামলা চালানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সিএনএনকে এমন তথ্য দেন।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকের বাগদাদে মার্কিন দূতাবাস, ইউএস ডিপ্লোম্যাটিক সাপোর্ট সেন্টার এবং এরবিলে মার্কিন কনস্যুলেট লক্ষ্য করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে।
ইরাকে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস সতর্ক করে বলেছে, ‘ইরানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ইরাকি সন্ত্রাসী মিলিশিয়ারা ইরাকজুড়ে, এমনকি ইরাকি কুর্দিস্তান অঞ্চলেও (আইকেআর), মার্কিন নাগরিক ও যুক্তরাষ্ট্র-সম্পর্কিত স্থাপনাগুলোতে আরও হামলার পরিকল্পনা করছে।’
যুক্তরাষ্ট্র আরো দাবি করেছে, ইরাক সরকারের কিছু অংশ এসব মিলিশিয়াকে রাজনৈতিক ও আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে।
দেশে ইরান-সমর্থিত মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নিতে ইরাক সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
পররাষ্ট্র দপ্তরের ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মঙ্গলবার বলেন, ইরাকের নেতারা ‘যুক্তরাষ্ট্র কী চায়, তা বুঝতে পারছেন।’
তিনি জানান, তারা এখন ‘কথা নয়, কাজ’ দেখতে চান।
তাদের মতে, ইরাক সরকার ও এসব মিলিশিয়ার মধ্যে সীমারেখা স্পষ্ট নয়। তাই মিলিশিয়াদের সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে সরানো, তাদের সরকারি অর্থায়ন বন্ধ করা এবং বেতন দেওয়া থামানো হলে তাদের প্রতি আস্থা পাবে যুক্তরাষ্ট্র।
What's Your Reaction?