ইরাকে ‘রাজনৈতিক অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে সাংবাদিকরা
ইরাকের কিছু রাজনৈতিক দল নিজেদের রাজনৈতিক বিরোধে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকে ব্যবহার করছে বলে জানিয়েছে প্রেস অধিকার ও স্বাধীনতা বিষয়ক সংস্থা আল-নাখিল সেন্টার।
সোমবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, অনেক রাজনৈতিক দল তাদের সদস্যদের বিরোধী মতের টিভি চ্যানেলে যেতে নিষেধ করে। পাশাপাশি দলঘনিষ্ঠ বিশ্লেষকদের দিয়ে নির্দিষ্ট সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অভিযোগ তুলতে বলা হয়।
সংস্থাটির মতে, এতে সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমকে রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছানোর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের চাপ সাংবাদিকদের ওপর পড়ছে।
রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারসের ২০২৫ সালের বিশ্ব গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে ইরাকের অবস্থান ১৫৫তম। আগের বছর দেশটির অবস্থান ছিল ১৬৯তম। তবে অধিকার সংগঠনগুলো বলছে, মামলা, প্রশাসনিক শাস্তি ও রাজনৈতিক চাপ এখনো স্বাধীন সাংবাদিকতার বড় বাধা হয়ে রয়েছে এবং এতে সাংবাদিকদের মধ্যে স্ব-সেন্সরশিপ বাড়ছে।
ইরাকের কিছু রাজনৈতিক দল নিজেদের রাজনৈতিক বিরোধে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকে ব্যবহার করছে বলে জানিয়েছে প্রেস অধিকার ও স্বাধীনতা বিষয়ক সংস্থা আল-নাখিল সেন্টার।
সোমবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, অনেক রাজনৈতিক দল তাদের সদস্যদের বিরোধী মতের টিভি চ্যানেলে যেতে নিষেধ করে। পাশাপাশি দলঘনিষ্ঠ বিশ্লেষকদের দিয়ে নির্দিষ্ট সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অভিযোগ তুলতে বলা হয়।
সংস্থাটির মতে, এতে সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমকে রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছানোর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের চাপ সাংবাদিকদের ওপর পড়ছে।
রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারসের ২০২৫ সালের বিশ্ব গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে ইরাকের অবস্থান ১৫৫তম। আগের বছর দেশটির অবস্থান ছিল ১৬৯তম। তবে অধিকার সংগঠনগুলো বলছে, মামলা, প্রশাসনিক শাস্তি ও রাজনৈতিক চাপ এখনো স্বাধীন সাংবাদিকতার বড় বাধা হয়ে রয়েছে এবং এতে সাংবাদিকদের মধ্যে স্ব-সেন্সরশিপ বাড়ছে।