ইরানকে পরমাণু শক্তিধর হওয়া থেকে ঠেকানো যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় লক্ষ্য: ভ্যান্স

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা ওয়াশিংটনের দ্বিতীয় লক্ষ্য। প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে মার্কিন নাগরিকদের জন্য তেল ও জ্বালানির দাম সস্তা রাখা। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, এটাই আমাদের প্রথম লক্ষ্য। এরপর অবশ্যই দ্বিতীয় লক্ষ্য হলো, ইরান যেন কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে। দুটি লক্ষ্যই যুক্তরাষ্ট্র অর্জন করছে বলে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন তিনি। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, পরিস্থিতি স্বভাবতই অনিশ্চিত। কারণ ইরানিরা নিজেরাই অনিশ্চিত এবং অনেক সময় তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে না। ইরান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চূড়ান্ত লক্ষ্য কী এমন প্রশ্নের জবাবে ভ্যান্স বলেন, আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, এর পরিণতিতে যুক্তরাষ্ট্র আরও শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে। ইরানের হাতে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না এবং হরমুজ প্রণালি এমন অবস্থায় ফিরবে, যেখানে মার্কিন জনগণের জন্য তেল ও গ্যাসের দাম স্থিতিশীল থাকবে। ভ্যান্স বলেন, কখনো যুক্তরাষ্ট্রের মনোযোগ থাকে জ্বালানি ইস্যুতে, কারণ তারা চায় মার্কিন নাগ

ইরানকে পরমাণু শক্তিধর হওয়া থেকে ঠেকানো যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় লক্ষ্য: ভ্যান্স

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা ওয়াশিংটনের দ্বিতীয় লক্ষ্য। প্রথম লক্ষ্য হচ্ছে মার্কিন নাগরিকদের জন্য তেল ও জ্বালানির দাম সস্তা রাখা।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, এটাই আমাদের প্রথম লক্ষ্য। এরপর অবশ্যই দ্বিতীয় লক্ষ্য হলো, ইরান যেন কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে।

দুটি লক্ষ্যই যুক্তরাষ্ট্র অর্জন করছে বলে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন তিনি। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, পরিস্থিতি স্বভাবতই অনিশ্চিত। কারণ ইরানিরা নিজেরাই অনিশ্চিত এবং অনেক সময় তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে না।

ইরান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের চূড়ান্ত লক্ষ্য কী এমন প্রশ্নের জবাবে ভ্যান্স বলেন, আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, এর পরিণতিতে যুক্তরাষ্ট্র আরও শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে। ইরানের হাতে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না এবং হরমুজ প্রণালি এমন অবস্থায় ফিরবে, যেখানে মার্কিন জনগণের জন্য তেল ও গ্যাসের দাম স্থিতিশীল থাকবে।

ভ্যান্স বলেন, কখনো যুক্তরাষ্ট্রের মনোযোগ থাকে জ্বালানি ইস্যুতে, কারণ তারা চায় মার্কিন নাগরিকেরা তেল ও গ্যাসের দাম বহন করতে সক্ষম হোক। আবার কখনো সামরিক দিক কিংবা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের বাণিজ্যিক তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন হতো। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করাই ওই যুদ্ধের ঘোষিত লক্ষ্য ছিল।

যুদ্ধ শুরুর পর ইরান হরমুজ প্রণালির নৌ চলাচল অবরোধ করে। এতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম বেড়ে যায়। এর জবাবে এপ্রিল মাসে ইরান-সংশ্লিষ্ট জাহাজ চলাচলের ওপর অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।

সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow