ইরানি ধাঁচের ড্রোন দিয়ে আরব দেশে হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র : আরাঘচি

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আদলে তৈরি ড্রোন ব্যবহার করে বিভিন্ন আরব দেশে হামলা চালাচ্ছে। রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এসব হামলার প্রকৃত লক্ষ্য ও উৎস খতিয়ে দেখতে তেহরান আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে যৌথ তদন্ত কমিটি গঠন করতে প্রস্তুত। আরাঘচি দাবি করেন, ইরানের হামলা কেবল মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকেই লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এমন হামলা বন্ধ করা এবং ইরানের ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার ওপর এই যুদ্ধের অবসান নির্ভর করছে। এদিকে ইরানের বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানিয়েছে, সৌদি আরবের রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলে যে ড্রোন হামলা হয়েছে, তার উৎস ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। এর আগে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সৌদি আরবের আরামকো স্থাপনা, ওমানের সালালাহ বন্দর এবং আজারবাইজানের নাখচিভান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালানোর পর থেকেই এ উত্তেজনা শুরু

ইরানি ধাঁচের ড্রোন দিয়ে আরব দেশে হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র : আরাঘচি

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আদলে তৈরি ড্রোন ব্যবহার করে বিভিন্ন আরব দেশে হামলা চালাচ্ছে।

রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এসব হামলার প্রকৃত লক্ষ্য ও উৎস খতিয়ে দেখতে তেহরান আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে যৌথ তদন্ত কমিটি গঠন করতে প্রস্তুত।

আরাঘচি দাবি করেন, ইরানের হামলা কেবল মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকেই লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এমন হামলা বন্ধ করা এবং ইরানের ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার ওপর এই যুদ্ধের অবসান নির্ভর করছে।

এদিকে ইরানের বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানিয়েছে, সৌদি আরবের রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলে যে ড্রোন হামলা হয়েছে, তার উৎস ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

এর আগে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সৌদি আরবের আরামকো স্থাপনা, ওমানের সালালাহ বন্দর এবং আজারবাইজানের নাখচিভান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালানোর পর থেকেই এ উত্তেজনা শুরু হয়। ওই হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ আইআরজিসির কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডার নিহত হন। এরপর ইরান পাল্টা হামলা চালায়, যার প্রভাব ইরাক, ইসরায়েল, জর্ডান, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। তথ্যসূত্র : শাফাক নিউজ
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow