ইরানের অমূল্য সম্পদ দখলে গোপন পাঁয়তারা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র Kharg Island দখলের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। হোয়াইট হাউসের উপদেষ্টা Jarrod Agen শুক্রবার এক সাক্ষাৎকারে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য হচ্ছে “ইরানের বিশাল তেলের মজুদ সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বের করে আনা।” তিনি আরও বলেন, এতে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz-এ নিরাপত্তা নিয়ে ভবিষ্যতে উদ্বেগ কমে যেতে পারে। পারস্য উপসাগরে অবস্থিত খার্গ দ্বীপটি ইরানের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানি টার্মিনাল। দ্বীপটি ইরানের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং এখান দিয়ে দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি হয়, যা ইরানের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মার্কিন বিশ্লেষক Michael Rubin বলেছেন, দ্বীপটি দখল করা হলে ইরান সরকারের আয়ের প্রধান উৎসে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করা সম্ভব হবে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump এখনো ইরানের প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তিনি ব্যক্তিগত আলোচনায় ইরানে সীমিত সংখ্যক মার্কিন স
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র Kharg Island দখলের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
হোয়াইট হাউসের উপদেষ্টা Jarrod Agen শুক্রবার এক সাক্ষাৎকারে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য হচ্ছে “ইরানের বিশাল তেলের মজুদ সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বের করে আনা।” তিনি আরও বলেন, এতে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz-এ নিরাপত্তা নিয়ে ভবিষ্যতে উদ্বেগ কমে যেতে পারে।
পারস্য উপসাগরে অবস্থিত খার্গ দ্বীপটি ইরানের সবচেয়ে বড় তেল রপ্তানি টার্মিনাল। দ্বীপটি ইরানের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং এখান দিয়ে দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল রপ্তানি হয়, যা ইরানের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মার্কিন বিশ্লেষক Michael Rubin বলেছেন, দ্বীপটি দখল করা হলে ইরান সরকারের আয়ের প্রধান উৎসে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করা সম্ভব হবে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump এখনো ইরানের প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, তিনি ব্যক্তিগত আলোচনায় ইরানে সীমিত সংখ্যক মার্কিন সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা বিবেচনা করছেন। তবে বড় আকারের স্থল অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নেই বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, খার্গ দ্বীপকে কেন্দ্র করে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা শুধু যুদ্ধের পরিস্থিতিকেই নয়, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ এবং তেলের বাজারেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র- caspianpost.
What's Your Reaction?