ইরানের আর্থিক নেটওয়ার্কে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা
ইরানের আর্থিক নেটওয়ার্কের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর বৃহস্পতিবার জানায়, ইরানকে আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমে শত শত কোটি ডলার সরাতে সহায়তার অভিযোগে মুদ্রা বিনিময় প্রতিষ্ঠান, ভুয়া কোম্পানি, ব্যাংক ও কয়েকজন আর্থিক মধ্যস্থতাকারীর বিরুদ্ধে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, এসব নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ইরান তেল বিক্রির অর্থ আন্তর্জাতিকভাবে স্থানান্তর এবং আগের নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। বিভিন্ন ভুয়া প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসব অর্থের উৎস গোপন করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে ওয়াশিংটন।
নতুন নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘সর্বোচ্চ চাপ’ নীতির অংশ। যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য, ইরানের এমন আর্থিক উৎসগুলো বন্ধ করা, যেগুলো দিয়ে দেশটি আঞ্চলিক কর্মকাণ্ড, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সহায়তা এবং সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে অর্থায়ন করে বলে ওয়াশিংটন মনে করে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর সতর্ক করে বলেছে, ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা এড়াতে যারা সহায়তা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে গত সপ্তাহে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্ক
ইরানের আর্থিক নেটওয়ার্কের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর বৃহস্পতিবার জানায়, ইরানকে আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমে শত শত কোটি ডলার সরাতে সহায়তার অভিযোগে মুদ্রা বিনিময় প্রতিষ্ঠান, ভুয়া কোম্পানি, ব্যাংক ও কয়েকজন আর্থিক মধ্যস্থতাকারীর বিরুদ্ধে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, এসব নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ইরান তেল বিক্রির অর্থ আন্তর্জাতিকভাবে স্থানান্তর এবং আগের নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। বিভিন্ন ভুয়া প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসব অর্থের উৎস গোপন করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে ওয়াশিংটন।
নতুন নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘সর্বোচ্চ চাপ’ নীতির অংশ। যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য, ইরানের এমন আর্থিক উৎসগুলো বন্ধ করা, যেগুলো দিয়ে দেশটি আঞ্চলিক কর্মকাণ্ড, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে সহায়তা এবং সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে অর্থায়ন করে বলে ওয়াশিংটন মনে করে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর সতর্ক করে বলেছে, ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা এড়াতে যারা সহায়তা করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে গত সপ্তাহে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছিলেন, বিশ্বজুড়ে ইরানের অর্থ ও সম্পদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে। এর অংশ হিসেবে ইরানি অর্থ ব্যবসায়ী বাবাক জাঞ্জানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। ওই নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার, মালিকানার তথ্য গোপন এবং ইরান ও বিদেশের মধ্যে অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগ রয়েছে।