‘ইরানের ইউরেনিয়াম ধ্বংস করব’, খামেনিকে ট্রাম্পের জবাব

ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত নিয়ে ফের উত্তেজনা ছড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ইউরেনিয়াম বিদেশে না পাঠানোর নির্দেশ দেওয়ার পর কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, আমরা ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে নেব। আমাদের এর দরকার নেই, আমরা এটা চাইও না। সম্ভবত দখলে নেওয়ার পর ধ্বংস করে দেব। কিন্তু ইরানকে এটা রাখতে দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌ অবরোধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। ট্রাম্পের ভাষায়, ইরান কখনও পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না। না হলে আমরা ভয়াবহ কিছু করতে বাধ্য হব। এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি নির্দেশ দিয়েছেন, প্রায় অস্ত্রমানের কাছাকাছি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠানো যাবে না। দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও পশ্চিমা দেশগুলো অভিযোগ করে আসছে, ইরান গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে। বিশেষ করে ইউরেনিয়াম ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ করার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কারণ, অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজন প্রায় ৯০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম। যদিও তেহ

‘ইরানের ইউরেনিয়াম ধ্বংস করব’, খামেনিকে ট্রাম্পের জবাব
ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত নিয়ে ফের উত্তেজনা ছড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ইউরেনিয়াম বিদেশে না পাঠানোর নির্দেশ দেওয়ার পর কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, আমরা ইরানের ইউরেনিয়াম নিয়ে নেব। আমাদের এর দরকার নেই, আমরা এটা চাইও না। সম্ভবত দখলে নেওয়ার পর ধ্বংস করে দেব। কিন্তু ইরানকে এটা রাখতে দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌ অবরোধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। ট্রাম্পের ভাষায়, ইরান কখনও পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না। না হলে আমরা ভয়াবহ কিছু করতে বাধ্য হব। এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি নির্দেশ দিয়েছেন, প্রায় অস্ত্রমানের কাছাকাছি সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠানো যাবে না। দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও পশ্চিমা দেশগুলো অভিযোগ করে আসছে, ইরান গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে। বিশেষ করে ইউরেনিয়াম ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ করার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। কারণ, অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজন প্রায় ৯০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম। যদিও তেহরান বরাবরই দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ। এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়া, প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধ এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ শেষ হয়েছে বলে মনে করবেন না তিনি। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প ইসরায়েলকে আশ্বাস দিয়েছেন যে, ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত দেশটির বাইরে সরিয়ে নেওয়া হবে এবং সম্ভাব্য শান্তিচুক্তিতে এ সংক্রান্ত ধারা থাকবে। তবে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা মনে করছেন, ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠালে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মুখে দেশটি আরও ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ইরানি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশ এবং রাষ্ট্রীয় ঐকমত্য সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত কোনোভাবেই দেশ ছাড়বে না। উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার পর শুরু হওয়া যুদ্ধের মধ্যে বর্তমানে একটি নড়বড়ে যুদ্ধবিরতি চলছে। তবে স্থায়ী শান্তিচুক্তি নিয়ে এখনো বড় কোনও অগ্রগতি হয়নি। হরমুজ প্রণালি ও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এখনো আলোচনার সবচেয়ে জটিল বিষয় হয়ে রয়েছে। সূত্র : এনডিটিভি

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow