ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিলো ইইউ

ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংস দমন-পীড়ন এবং রাশিয়াকে সমর্থন দেওয়ার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ইইউ কূটনীতিকরা জানান, এসব নিষেধাজ্ঞা মূলত সেই ব্যক্তি ও সংস্থাগুলোকে লক্ষ্য করে দেওয়া হয়েছে, যারা বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংস দমন-পীড়নে জড়িত ছিল এবং যারা রাশিয়াকে সহায়তা করেছে। এছাড়া মন্ত্রীরা ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-কে ইইউর সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে একটি রাজনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছানোরও প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এর ফলে আইআরজিসি ইসলামিক স্টেট (আইএস) ও আল-কায়েদার মতো সংগঠনের কাতারে পড়বে, যা ইরানের নেতৃত্বের প্রতি ইউরোপের দৃষ্টিভঙ্গিতে একটি প্রতীকী পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ফ্রান্সের নেতৃত্বে কিছু ইইউ সদস্য দেশ দীর্ঘদিন ধরে আইআরজিসিকে এই তালিকায় যুক্ত করতে অনিচ্ছুক ছিল। তবে বুধবার প্যারিস জানায়, তারা এই উদ্যোগকে সমর্থন করবে। এর ফলে অনুমোদনের পথ সুগম হয়, যদিও এ ধরনের সিদ্ধান্তের জন্য জোটের ২৭টি সদস্য দেশের সর্বসম্মতি প্রয়োজন। ১৯৭৯ সালের ইরানি ইসলামি বিপ্লবের পর শিয়া ধর্মভিত্

ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিলো ইইউ

ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংস দমন-পীড়ন এবং রাশিয়াকে সমর্থন দেওয়ার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ইইউ কূটনীতিকরা জানান, এসব নিষেধাজ্ঞা মূলত সেই ব্যক্তি ও সংস্থাগুলোকে লক্ষ্য করে দেওয়া হয়েছে, যারা বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংস দমন-পীড়নে জড়িত ছিল এবং যারা রাশিয়াকে সহায়তা করেছে।

এছাড়া মন্ত্রীরা ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-কে ইইউর সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে একটি রাজনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছানোরও প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এর ফলে আইআরজিসি ইসলামিক স্টেট (আইএস) ও আল-কায়েদার মতো সংগঠনের কাতারে পড়বে, যা ইরানের নেতৃত্বের প্রতি ইউরোপের দৃষ্টিভঙ্গিতে একটি প্রতীকী পরিবর্তন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ফ্রান্সের নেতৃত্বে কিছু ইইউ সদস্য দেশ দীর্ঘদিন ধরে আইআরজিসিকে এই তালিকায় যুক্ত করতে অনিচ্ছুক ছিল। তবে বুধবার প্যারিস জানায়, তারা এই উদ্যোগকে সমর্থন করবে। এর ফলে অনুমোদনের পথ সুগম হয়, যদিও এ ধরনের সিদ্ধান্তের জন্য জোটের ২৭টি সদস্য দেশের সর্বসম্মতি প্রয়োজন।

১৯৭৯ সালের ইরানি ইসলামি বিপ্লবের পর শিয়া ধর্মভিত্তিক শাসনব্যবস্থা রক্ষার জন্য আইআরজিসি গঠন করা হয়। বর্তমানে সংস্থাটির দেশের ভেতরে ব্যাপক প্রভাব রয়েছে।

আইআরজিসি ইরানের অর্থনীতি ও সশস্ত্র বাহিনীর বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে এবং দেশটির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচির দায়িত্বও তাদের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow