ইরানের জলসীমা থেকে নিজেদের জাহাজকে দূরে থাকার নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী মার্কিন পতাকাবাহী জাহাজগুলোর জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে ইরানের জলসীমা এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। খবর আল জাজিরার।  সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ইউএস মেরিটাইম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এ সতর্কতা জারি করে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মার্কিন জাহাজের ক্যাপ্টেনরা যেন ইরানি বাহিনীকে জাহাজে ওঠার অনুমতি না দেন। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, যদি ইরানি বাহিনী কোনো মার্কিন পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজে উঠে পড়ে, তবে ক্রুরা যেন জোর করে বাধা না দেন। তবে বাধা না দেওয়ার অর্থ এই নয় যে জাহাজে ওঠার সম্মতি দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যতটুকু সম্ভব ইরানের জলসীমা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে পূর্ব দিকে যাওয়ার সময় ওমানের জলসীমার কাছাকাছি দিয়ে চলাচল করতে বলা হয়। সম্প্রতি ওমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এক দফা পরোক্ষ আলোচনা হয়েছে। এর আগে কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হুমকি ও উত্তেজনায় যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বরাবরই বাণিজ্যিক জাহাজ ও নৌপথগুলো হুমকির

ইরানের জলসীমা থেকে নিজেদের জাহাজকে দূরে থাকার নির্দেশনা যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী মার্কিন পতাকাবাহী জাহাজগুলোর জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে ইরানের জলসীমা এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। খবর আল জাজিরার।  সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ইউএস মেরিটাইম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এ সতর্কতা জারি করে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মার্কিন জাহাজের ক্যাপ্টেনরা যেন ইরানি বাহিনীকে জাহাজে ওঠার অনুমতি না দেন। নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, যদি ইরানি বাহিনী কোনো মার্কিন পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজে উঠে পড়ে, তবে ক্রুরা যেন জোর করে বাধা না দেন। তবে বাধা না দেওয়ার অর্থ এই নয় যে জাহাজে ওঠার সম্মতি দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যতটুকু সম্ভব ইরানের জলসীমা থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে পূর্ব দিকে যাওয়ার সময় ওমানের জলসীমার কাছাকাছি দিয়ে চলাচল করতে বলা হয়। সম্প্রতি ওমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এক দফা পরোক্ষ আলোচনা হয়েছে। এর আগে কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হুমকি ও উত্তেজনায় যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে বরাবরই বাণিজ্যিক জাহাজ ও নৌপথগুলো হুমকির মুখে থাকে। ১৯৮০-এর দশকে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় দুই দেশই বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছিল, যা ইতিহাসে ট্যাংকার যুদ্ধ নামে পরিচিত। সম্প্রতি গাজা যুদ্ধের প্রতিবাদে লোহিত সাগরে ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। তাদের দাবি, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ করতেই এই হামলা। গত বছরের জুনে ইসরায়েল ইরানে বোমা হামলা চালানোর পর এক ইরানি আইনপ্রণেতা হুমকি দিয়েছিলেন, যুদ্ধ বাড়লে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিতে পারে। পারস্য উপসাগর ও ভারত মহাসাগরকে যুক্ত করা এই প্রণালি বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চলতি বছরের জানুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই প্রণালিতে নৌ মহড়া চালায়। তখন যুক্তরাষ্ট্র সতর্ক করে বলেছিল, তেহরান যেন অনিরাপদ ও অপেশাদার আচরণ না করে। পরে মার্কিন বাহিনী দাবি করে, তাদের একটি বিমানবাহী রণতরির কাছে চলে আসা একটি ইরানি ড্রোন তারা গুলি করে ভূপাতিত করেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow