ইরানের তেল দখল করতাম, কিন্তু জনগণ চায় ফিরে আসি: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সুযোগ পেলে তিনি ইরানের তেল ‘নিয়ে নিতে’ চান। তবে মার্কিন জনগণ যুদ্ধের সমাপ্তি দেখতে চায়। এজন্য তিনি তা করছেন না। সোমবার (০৬ এপ্রিল) দ্য পলিটিকোর বরাতে ইয়াহু নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  সোমবার হোয়াইট হাউসে বার্ষিক ইস্টার এগ রোল অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আমার ইচ্ছা হলে আমি তেল রেখে দিতাম। কিন্তু আমি দেশের মানুষকে খুশি রাখতেও চাই। তিনি বলেন, দুঃখজনকভাবে আমেরিকান জনগণ চায় আমরা দেশে ফিরে আসি। যদি আমার ওপর নির্ভর করত, আমি তেল নিয়ে নিতাম। এতে অনেক অর্থ আসত। আমি ইরানের জনগণের যত্নও বর্তমানের তুলনায় ভালোভাবে নিতে পারতাম। যুদ্ধবিরোধী মার্কিন নাগরিকদের ‘মূর্খ’ বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। গত সপ্তাহে প্রকাশিত রয়টার্সের এক জরিপে দেখা গেছে, প্রতি চারজনের মধ্যে তিনজন মার্কিন নাগরিক ইরানে স্থলবাহিনী পাঠানোর বিরোধিতা করেন। এছাড়া অর্ধেকের বেশি উত্তরদাতা মনে করেন, এই যুদ্ধ তাদের ব্যক্তিগত অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, যুদ্ধ এখন ষষ্ঠ সপ্তাহে প্রবেশ করলেও যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে বড় ধরনের সাফল্য অর

ইরানের তেল দখল করতাম, কিন্তু জনগণ চায় ফিরে আসি: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সুযোগ পেলে তিনি ইরানের তেল ‘নিয়ে নিতে’ চান। তবে মার্কিন জনগণ যুদ্ধের সমাপ্তি দেখতে চায়। এজন্য তিনি তা করছেন না। সোমবার (০৬ এপ্রিল) দ্য পলিটিকোর বরাতে ইয়াহু নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  সোমবার হোয়াইট হাউসে বার্ষিক ইস্টার এগ রোল অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আমার ইচ্ছা হলে আমি তেল রেখে দিতাম। কিন্তু আমি দেশের মানুষকে খুশি রাখতেও চাই। তিনি বলেন, দুঃখজনকভাবে আমেরিকান জনগণ চায় আমরা দেশে ফিরে আসি। যদি আমার ওপর নির্ভর করত, আমি তেল নিয়ে নিতাম। এতে অনেক অর্থ আসত। আমি ইরানের জনগণের যত্নও বর্তমানের তুলনায় ভালোভাবে নিতে পারতাম। যুদ্ধবিরোধী মার্কিন নাগরিকদের ‘মূর্খ’ বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। গত সপ্তাহে প্রকাশিত রয়টার্সের এক জরিপে দেখা গেছে, প্রতি চারজনের মধ্যে তিনজন মার্কিন নাগরিক ইরানে স্থলবাহিনী পাঠানোর বিরোধিতা করেন। এছাড়া অর্ধেকের বেশি উত্তরদাতা মনে করেন, এই যুদ্ধ তাদের ব্যক্তিগত অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, যুদ্ধ এখন ষষ্ঠ সপ্তাহে প্রবেশ করলেও যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করেছে। তিনি বলেন, যুদ্ধ সাধারণত বছরের পর বছর চলে। আমরা মাত্র ৩৪ দিনে একটি শক্তিশালী দেশকে ধ্বংস করে দিয়েছি। তিনি ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি দেশটি হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে না দেয়, তবে তাদের বেসামরিক অবকাঠামো তথা সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে পারে। বেসামরিক স্থাপনায় হামলাকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে দেখা হতে পারে এমন প্রশ্নে ট্রাম্প বলেন, তিনি এ বিষয়ে ‘উদ্বিগ্ন নন’। যুদ্ধাপরাধ হলো একটি ‘অসুস্থ’ দেশের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow