ইরানের নেতারা চুক্তির জন্য অনুনয়-বিনয় করছে : ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানে হামলা চালাতে পারে। তবে একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, তেহরান যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তি করতে আগ্রহী।
মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানান, ইরানে নতুন করে হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাত্র এক ঘণ্টা দূরে ছিলেন তিনি। পরে ইরানের পক্ষ থেকে নতুন প্রস্তাব আসায় সেই পরিকল্পনা স্থগিত করা হয়।
তিনি বলেন, ইরানের নেতারা একটি চুক্তির জন্য অনুনয়-বিনয় করছে। তবে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সমঝোতা না হলে যুক্তরাষ্ট্র ফের সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
রয়টার্স জানিয়েছে, তিন মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করার পর থেকে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠেছে। এর আগেও ট্রাম্প বলেছিলেন, চুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, কিন্তু সমঝোতা না হলে ভয়াবহ হামলা চালানো হবে।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে রেখেছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি পরিবহন এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায়
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানে হামলা চালাতে পারে। তবে একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, তেহরান যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তি করতে আগ্রহী।
মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানান, ইরানে নতুন করে হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার মাত্র এক ঘণ্টা দূরে ছিলেন তিনি। পরে ইরানের পক্ষ থেকে নতুন প্রস্তাব আসায় সেই পরিকল্পনা স্থগিত করা হয়।
তিনি বলেন, ইরানের নেতারা একটি চুক্তির জন্য অনুনয়-বিনয় করছে। তবে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সমঝোতা না হলে যুক্তরাষ্ট্র ফের সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
রয়টার্স জানিয়েছে, তিন মাস আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করার পর থেকে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠেছে। এর আগেও ট্রাম্প বলেছিলেন, চুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, কিন্তু সমঝোতা না হলে ভয়াবহ হামলা চালানো হবে।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে রেখেছে। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি পরিবহন এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসন অভ্যন্তরীণ চাপেও রয়েছে। নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায়ও প্রভাব ফেলছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কায় সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।
তবে মঙ্গলবার মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। কোনো পক্ষই আবার সামরিক সংঘাত চায় না।
ভ্যান্সের এ মন্তব্যের পর মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কিছুটা কমেছে।