ইরানের বিরুদ্ধে তথ্য দিলেই মিলবে ১৫ মিলিয়ন ডলার
ইরানের বিরুদ্ধে তথ্য দিলে ১৫ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সম্পর্কে তথ্য দিলেই এ পুরস্কার মিলবে। শুক্রবার (১৫ মে) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ইরানের আইআরজিসি কুদস ফোর্সের ড্রোন উৎপাদন ইউনিট সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার জন্য বড় অঙ্কের পুরস্কার ঘোষণা করেছে। এই ইউনিটটিকে ‘কিমিয়া পার্ট সিভান কোম্পানি (কেআইপিএএস)’ নামে শনাক্ত করা হয়েছে। পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ছয়জন ব্যক্তি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত। তারা “কেআইপিএএসের ড্রোন পরীক্ষা, উন্নয়ন ও সরবরাহ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে।” পররাষ্ট্র দপ্তরের জাতীয় নিরাপত্তা পুরস্কার কর্মসূচির এক পোস্টে বলা হয়েছে, এসব ব্যক্তি, তাদের সহযোগী বা আর্থিক নেটওয়ার্ক সম্পর্কে তথ্য প্রদানকারীরা সর্বোচ্চ ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার পর্যন্ত পুরস্কার পেতে পারেন। পোস্টটিতে আরও বলা হয়, “আইআরজিসির অর্থের প্রবাহে আঘাত হানতে আমাদের সহায়তা করুন।” এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আর
ইরানের বিরুদ্ধে তথ্য দিলে ১৫ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সম্পর্কে তথ্য দিলেই এ পুরস্কার মিলবে।
শুক্রবার (১৫ মে) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ইরানের আইআরজিসি কুদস ফোর্সের ড্রোন উৎপাদন ইউনিট সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার জন্য বড় অঙ্কের পুরস্কার ঘোষণা করেছে। এই ইউনিটটিকে ‘কিমিয়া পার্ট সিভান কোম্পানি (কেআইপিএএস)’ নামে শনাক্ত করা হয়েছে।
পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ছয়জন ব্যক্তি এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত। তারা “কেআইপিএএসের ড্রোন পরীক্ষা, উন্নয়ন ও সরবরাহ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে।”
পররাষ্ট্র দপ্তরের জাতীয় নিরাপত্তা পুরস্কার কর্মসূচির এক পোস্টে বলা হয়েছে, এসব ব্যক্তি, তাদের সহযোগী বা আর্থিক নেটওয়ার্ক সম্পর্কে তথ্য প্রদানকারীরা সর্বোচ্চ ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার পর্যন্ত পুরস্কার পেতে পারেন।
পোস্টটিতে আরও বলা হয়, “আইআরজিসির অর্থের প্রবাহে আঘাত হানতে আমাদের সহায়তা করুন।”
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আসা ‘পরস্পরবিরোধী বার্তা’ চলমান আলোচনাকে জটিল করে তুলছে।
শুক্রবার (১৫ মে) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রচারিত বক্তব্যে আরাগচি বলেন, হরমুজ প্রণালিতে সৃষ্ট বিঘ্নের জন্য ইরান দায়ী নয়। তিনি দাবি করেন, তেহরান যুদ্ধ শুরু করেনি; বরং তারা কেবল আত্মরক্ষামূলক অবস্থানে রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর’ জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রয়েছে। তবে সেগুলোকে ইরানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে চলতে হবে। এই পথ কেবল ইরানের ‘শত্রুদের’ জন্য বন্ধ রয়েছে।
Help us put a dent in the IRGCs revenue stream.
Send us a tip on these bad boys, who manage this drone manufacturer. pic.twitter.com/gwt0jyUqfx — Rewards for Justice (@RFJ_USA) May 14, 2026
What's Your Reaction?