ইরানের সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ হলে কী করবেন ট্রাম্প?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনা অব্যাহত রাখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। তবে কোনো চুক্তি না হলে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনার কথাও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। বুধবার হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প এ কথা জানান। বৈঠকের পর ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে বলেন, আলোচনায় এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে একটি সমঝোতা হলে সেটিই যুক্তরাষ্ট্রের পছন্দ হবে। একই সঙ্গে সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি চুক্তিতে রাজি না হয়, তাহলে ‘ফলাফল কী হবে তা দেখা যাবে।’ তিনি ২০২৫ সালের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন, যা আগের আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর হয়েছিল। গত ৬ ফেব্রুয়ারি ওমানের মাসকাটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রথম দফা পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ট্রাম্প সেই আলোচনা খুব ভালো হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, আলোচনায় মূলত পারমাণবিক ইস্যুই গুরুত্ব পেয়েছে। এদিকে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি বলেছেন, আলোচনায় ইসরায়
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনা অব্যাহত রাখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। তবে কোনো চুক্তি না হলে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনার কথাও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। বুধবার হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্প এ কথা জানান।
বৈঠকের পর ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে বলেন, আলোচনায় এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে একটি সমঝোতা হলে সেটিই যুক্তরাষ্ট্রের পছন্দ হবে। একই সঙ্গে সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি চুক্তিতে রাজি না হয়, তাহলে ‘ফলাফল কী হবে তা দেখা যাবে।’ তিনি ২০২৫ সালের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন, যা আগের আলোচনা ভেঙে যাওয়ার পর হয়েছিল।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি ওমানের মাসকাটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রথম দফা পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ট্রাম্প সেই আলোচনা খুব ভালো হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, আলোচনায় মূলত পারমাণবিক ইস্যুই গুরুত্ব পেয়েছে।
এদিকে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি বলেছেন, আলোচনায় ইসরায়েলের চাপ প্রভাব ফেলতে দেওয়া উচিত নয়। ওয়াশিংটনে নেতানিয়াহু মার্কিন মধ্যপ্রাচ্য দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে বৈঠক করে আলোচনার অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করা এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সমর্থন বন্ধ করার মতো বিস্তৃত পদক্ষেপ চাইছে। তবে তেহরান এসব দাবি বারবার প্রত্যাখ্যান করে আসছে। ফলে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চললেও উত্তেজনা পুরোপুরি কাটেনি বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
What's Your Reaction?