ইরানের সেনাবাহিনীতে বিপুল সংখ্যক ড্রোন সংযোজন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা যখন তুঙ্গে তখন ইরানের সেনাবাহিনীতে এক হাজার নতুন ড্রোন যুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে যে কোনো হামলার জবাবে কঠোর ও ধ্বংসাত্মক প্রতিক্রিয়া দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে বার্তাসংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।    প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র যখন মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় একটি নৌবহর মোতায়েন করেছে, সেই প্রেক্ষাপটেই ইরান এই পদক্ষেপ নিল। ইরানের সেনাবাহিনীর প্রধান আমির হাতামি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেন, আমরা যে ধরনের হুমকির মুখে আছি, তার কারণে দ্রুত যুদ্ধক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানো আমাদের সেনাবাহিনীর প্রধান লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, কৌশলগত সক্ষমতা ধরে রাখা ও শক্তিশালী করা সব সময়ই ইরান সেনাবাহিনীর কর্মসূচির অংশ। ২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধ থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতার আলোকে এসব ড্রোন তৈরি করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞরা ড্রোন নির্মাণে ভূমিকা রেখেছেন। ড্রোনগুলো ধ্বংসাত্মক, আক্রমণাত্মক, গোয়েন্দা ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ; এই

ইরানের সেনাবাহিনীতে বিপুল সংখ্যক ড্রোন সংযোজন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা যখন তুঙ্গে তখন ইরানের সেনাবাহিনীতে এক হাজার নতুন ড্রোন যুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে যে কোনো হামলার জবাবে কঠোর ও ধ্বংসাত্মক প্রতিক্রিয়া দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে বার্তাসংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।   

প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র যখন মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় একটি নৌবহর মোতায়েন করেছে, সেই প্রেক্ষাপটেই ইরান এই পদক্ষেপ নিল।

ইরানের সেনাবাহিনীর প্রধান আমির হাতামি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেন, আমরা যে ধরনের হুমকির মুখে আছি, তার কারণে দ্রুত যুদ্ধক্ষমতা বৃদ্ধি করা এবং যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানো আমাদের সেনাবাহিনীর প্রধান লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, কৌশলগত সক্ষমতা ধরে রাখা ও শক্তিশালী করা সব সময়ই ইরান সেনাবাহিনীর কর্মসূচির অংশ।

২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধ থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতার আলোকে এসব ড্রোন তৈরি করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় সেনাবাহিনীর বিশেষজ্ঞরা ড্রোন নির্মাণে ভূমিকা রেখেছেন।

ড্রোনগুলো ধ্বংসাত্মক, আক্রমণাত্মক, গোয়েন্দা ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ; এই চারটি শ্রেণিতে নকশা করা হয়েছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এসব ড্রোন স্থল, সমুদ্র ও আকাশসীমাজুড়ে স্থির ও চলমান যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow