‘ইরান এই বিশ্বকাপের সবচেয়ে নিপীড়িত দল’
মাঠে লড়াই শেষ হয়েছে ২-২ ড্রয়ে। কিন্তু ম্যাচের পর শুরু হয়েছে আরও বড় এক বিতর্ক। বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের ‘সবচেয়ে অবহেলিত দল’ আখ্যা দিয়ে ফিফা ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ইরানের কোচ আমির ঘালেনুই। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ শেষ হওয়ার পরপরই দলকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তেহরান শিবির। আর সেই ঘটনাই নতুন করে সামনে এনে দিয়েছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের ছায়া। বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘জি’- এর ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করার পর ইরানের কোচ আমির ঘালেনুই জানান, ম্যাচের পর খেলোয়াড়দের বিশ্রাম ও ধকল থেকে সেরে ওঠার সুযোগ না দিয়ে তাদের অবিলম্বে মেক্সিকোর তিহুয়ানায় ফিরে যেতে বলা হয়েছে। তার দাবি, এমন আচরণ অন্য কোনো দলের সঙ্গে করা হয়নি। ঘালেনুই বলেন, ‘ইরান এই বিশ্বকাপের “সবচেয়ে নিপীড়িত” দল। ভিসা জটিলতার কারণে দলের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ও সহায়ক কর্মী এখনও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারেননি। এমনকি ইরান ফুটবল ফেডারেশনের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধিরাও দলের সঙ্গে থাকতে পারছেন না।’ ইরানের অধিনায়ক মেহদি তারেমিও ক্ষোভ প্রকাশ করে
মাঠে লড়াই শেষ হয়েছে ২-২ ড্রয়ে। কিন্তু ম্যাচের পর শুরু হয়েছে আরও বড় এক বিতর্ক। বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের ‘সবচেয়ে অবহেলিত দল’ আখ্যা দিয়ে ফিফা ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ইরানের কোচ আমির ঘালেনুই। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ শেষ হওয়ার পরপরই দলকে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তেহরান শিবির। আর সেই ঘটনাই নতুন করে সামনে এনে দিয়েছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের ছায়া।
বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘জি’- এর ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করার পর ইরানের কোচ আমির ঘালেনুই জানান, ম্যাচের পর খেলোয়াড়দের বিশ্রাম ও ধকল থেকে সেরে ওঠার সুযোগ না দিয়ে তাদের অবিলম্বে মেক্সিকোর তিহুয়ানায় ফিরে যেতে বলা হয়েছে। তার দাবি, এমন আচরণ অন্য কোনো দলের সঙ্গে করা হয়নি।
ঘালেনুই বলেন, ‘ইরান এই বিশ্বকাপের “সবচেয়ে নিপীড়িত” দল। ভিসা জটিলতার কারণে দলের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ও সহায়ক কর্মী এখনও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারেননি। এমনকি ইরান ফুটবল ফেডারেশনের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধিরাও দলের সঙ্গে থাকতে পারছেন না।’
ইরানের অধিনায়ক মেহদি তারেমিও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই দলকে বাড়তি ভ্রমণ ও প্রশাসনিক জটিলতার মুখে পড়তে হচ্ছে, যা খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি ও শারীরিক অবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো ড্রেসিংরুমে এসে তাদের উদ্বেগের কথা শুনেছেন বলেও জানান তিনি।
এই বিতর্কের পেছনে রয়েছে আরও বড় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। বিশ্বকাপ শুরুর আগেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্ক নিয়ে নানা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। ভিসা সমস্যার কারণে ইরানকে তাদের মূল ক্যাম্প যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরিয়ে মেক্সিকোর তিহুয়ানায় নিতে হয়। ফলে প্রতিটি গ্রুপ ম্যাচ খেলতে তাদের সীমান্ত পেরিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
ফুটবলের ইতিহাসে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক নতুন কিছু নয়। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে দুই দেশের বহুল আলোচিত মুখোমুখি লড়াইকে অনেকেই ‘বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে রাজনৈতিক ম্যাচ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছিলেন। প্রায় তিন দশক পর চলমান বিশ্বকাপেও মাঠের বাইরের রাজনৈতিক বাস্তবতা আবারও ইরানের বিশ্বকাপ অভিযানে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুইবার পিছিয়ে পড়েও ড্র তুলে নেওয়া ইরান এখন তাকিয়ে আছে পরবর্তী ম্যাচের দিকে। তবে মাঠের প্রতিপক্ষের পাশাপাশি প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক বাধাও যে তাদের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, কোচ ঘালেনুইয়ের বিস্ফোরক মন্তব্যে সেটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
টিটিটী/আইএন
What's Your Reaction?