ইরান যুদ্ধে মজুত কমে যাওয়ায় অস্ত্র উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে উদ্যোগ নিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর। অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ানোর পরিকল্পনা জমা দিতে ২১ দিনের সময়সীমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের একটি স্মারকলিপির বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুদ্ধের প্রথম এক মাসেই মার্কিন বাহিনী ৮৫০টির বেশি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, ১ হাজারের বেশি প্যাট্রিয়ট ও থাড প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১ হাজার ৩০০টির বেশি সেনাবাহিনীর কৌশলগত ব্যালিস্টিক অস্ত্র ব্যবহার করেছে। যুদ্ধের আগে বিশ্বজুড়ে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ছিল প্রায় ২ হাজার ২০০টি। সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, সেই সংখ্যা এখন ৮২৭টির নিচে নেমে এসেছে। একইভাবে থাড ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ৪৫২ থেকে কমে ২৭৮টির নিচে নেমেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অস্ত্রের মজুত দ্রুত পূরণ করতে ইতোমধ্যে বড় কয়েকটি মার্কিন অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে পেন্টাগন। এর মধ্যে লকহিড মার্টিন ও নর্থরপ গ্রুম্যান

ইরান যুদ্ধে মজুত কমে যাওয়ায় অস্ত্র উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে উদ্যোগ নিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর। অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ানোর পরিকল্পনা জমা দিতে ২১ দিনের সময়সীমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের একটি স্মারকলিপির বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুদ্ধের প্রথম এক মাসেই মার্কিন বাহিনী ৮৫০টির বেশি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, ১ হাজারের বেশি প্যাট্রিয়ট ও থাড প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১ হাজার ৩০০টির বেশি সেনাবাহিনীর কৌশলগত ব্যালিস্টিক অস্ত্র ব্যবহার করেছে।

যুদ্ধের আগে বিশ্বজুড়ে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ছিল প্রায় ২ হাজার ২০০টি। সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, সেই সংখ্যা এখন ৮২৭টির নিচে নেমে এসেছে। একইভাবে থাড ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ৪৫২ থেকে কমে ২৭৮টির নিচে নেমেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অস্ত্রের মজুত দ্রুত পূরণ করতে ইতোমধ্যে বড় কয়েকটি মার্কিন অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে পেন্টাগন। এর মধ্যে লকহিড মার্টিন ও নর্থরপ গ্রুম্যান প্যাট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন বাড়ানোর কাজ করছে। পাশাপাশি তুলনামূলক কম খরচে অস্ত্র উৎপাদনের জন্য নতুন প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও কাজে লাগানো হচ্ছে।

লকহিড মার্টিনকে ২০৩০ সালের মধ্যে পিএসি-৩ প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন তিন গুণ বাড়ানোর জন্য সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৮৬০ কোটি ডলারের একটি চুক্তি দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।

তবে অস্ত্রের মজুত পুনর্গঠনের এই উদ্যোগের বড় অংশই কংগ্রেসের অর্থ বরাদ্দের ওপর নির্ভর করছে। ১ লাখ ১৫ হাজার কোটি ডলারের প্রতিরক্ষা ব্যয় প্যাকেজটি এখনও আটকে রয়েছে। ফলে অস্ত্র উৎপাদন বাড়ানোর জন্য পেন্টাগনের নেওয়া কয়েকটি চুক্তি প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে এগোতে পারছে না। এতে ইরান যুদ্ধে দ্রুত কমে যাওয়া মার্কিন অস্ত্রের মজুত কত দ্রুত পুনরায় পূরণ করা সম্ভব হবে, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow