ইরান যুদ্ধে ২০ হাজার কোটি ডলার ক্ষতির মুখে আরব বিশ্ব

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে আরব দেশগুলো প্রায় ২০ হাজার কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতির মুখে পড়তে পারে, যা অঞ্চলটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুতর আঘাত হানবে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ইউএনডিপি-এর একটি প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে এমন সংবাদ প্রকাশ করেছে ব্লুমবার্গ। বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে স্বল্পমেয়াদি সামরিক উত্তেজনা আরব অঞ্চলে গভীর ও ব্যাপক সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে। তাদের হিসাব অনুযায়ী, এই ক্ষতির ফলে অঞ্চলে বেকারত্বের হার প্রায় ৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। এর ফলে প্রায় ৩৬ লাখ মানুষ চাকরি হারাতে পারে এবং আরও প্রায় ৪০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে পড়তে পারে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গালফ কো-অপারেশন কাউন্সি (জিসিসি)-এর দেশগুলো (বাহরাইন, কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান এবং সৌদি আরব) তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ দশমিক ২ শতাংশেরও বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে একটি সামরিক অভিযান শুরু করে। এই যৌথ অভিযানে রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে হামলা চালানো হয়।

ইরান যুদ্ধে ২০ হাজার কোটি ডলার ক্ষতির মুখে আরব বিশ্ব
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে আরব দেশগুলো প্রায় ২০ হাজার কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতির মুখে পড়তে পারে, যা অঞ্চলটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুতর আঘাত হানবে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ইউএনডিপি-এর একটি প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে এমন সংবাদ প্রকাশ করেছে ব্লুমবার্গ। বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে স্বল্পমেয়াদি সামরিক উত্তেজনা আরব অঞ্চলে গভীর ও ব্যাপক সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে। তাদের হিসাব অনুযায়ী, এই ক্ষতির ফলে অঞ্চলে বেকারত্বের হার প্রায় ৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। এর ফলে প্রায় ৩৬ লাখ মানুষ চাকরি হারাতে পারে এবং আরও প্রায় ৪০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে পড়তে পারে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গালফ কো-অপারেশন কাউন্সি (জিসিসি)-এর দেশগুলো (বাহরাইন, কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান এবং সৌদি আরব) তাদের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ দশমিক ২ শতাংশেরও বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে একটি সামরিক অভিযান শুরু করে। এই যৌথ অভিযানে রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে হামলা চালানো হয়। জবাবে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ইসরায়েল এবং বাহরাইন, জর্ডান, ইরাক, কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতেও হামলা চালায়। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের সমর্থনকারী দেশগুলোর সাথে সম্পর্কিত জাহাজগুলোর জন্য হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। সংঘাত চলাকালে, তেহরানের অনুমতি ছাড়া প্রণালি অতিক্রম করায় কয়েকটি তেলবাহী জাহাজে হামলার ঘটনাও ঘটে। এদিকে, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধের ব্যয় বহনে আরব দেশগুলোর কাছে আহ্বান জানাতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (৩০ মার্চ) এমন ইঙ্গিতই দিয়েছে হোয়াইট হাউস। মূলত যুদ্ধের ব্যয় দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় এমন সম্ভাবনা সামনে এসেছে। ১৯৯০ সালে উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় যেভাবে মার্কিন মিত্ররা সামরিক ব্যয়ের অংশ বহন করেছিল। এবারও আরব রাষ্ট্রগুলোকে খরচ বহনের আহ্বান জানানো হবে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লিভিট বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ বিষয়ে তাদের আহ্বান জানাতে পারেন। এমন পরিকল্পনা তার মাথায় রয়েছে। শিগগিরই এ বিষয়ে আরো শোনা যাবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow