ইসরায়েলকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুমকি পাকিস্তানের
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনা ভণ্ডুল করার উদ্দেশ্যে সুইজারল্যান্ডে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ—এমন দাবি করেছে ইরানের একটি গণমাধ্যম। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইরানি সংবাদমাধ্যম হামশাহরি, আইএসএনএর বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা এবং মধ্যপ্রাচ্যকে নতুন করে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতেই এ পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এতে বলা হয়, পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আগে থেকেই কথিত ওই পরিকল্পনার বিষয়ে জানতে পারে। তবে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির পরও আসিম মুনিরের সফরসূচি বা বৈঠকের সময়সূচিতে ইসলামাবাদ কোনো পরিবর্তন আনেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বরং পাকিস্তান ইসরাইলের কাছে কঠোর বার্তা পাঠায় বলেও দাবি করা হয়। হামশাহরির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ইসরাইলকে জানানো হয়—পাকিস্তানি প্রতিনিধিদলের ওপর হামলা হলে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, পাকিস্তানের ওই বার্তার
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনা ভণ্ডুল করার উদ্দেশ্যে সুইজারল্যান্ডে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ—এমন দাবি করেছে ইরানের একটি গণমাধ্যম। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ইরানি সংবাদমাধ্যম হামশাহরি, আইএসএনএর বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করে।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা এবং মধ্যপ্রাচ্যকে নতুন করে সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতেই এ পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এতে বলা হয়, পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা আগে থেকেই কথিত ওই পরিকল্পনার বিষয়ে জানতে পারে।
তবে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির পরও আসিম মুনিরের সফরসূচি বা বৈঠকের সময়সূচিতে ইসলামাবাদ কোনো পরিবর্তন আনেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বরং পাকিস্তান ইসরাইলের কাছে কঠোর বার্তা পাঠায় বলেও দাবি করা হয়।
হামশাহরির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ইসরাইলকে জানানো হয়—পাকিস্তানি প্রতিনিধিদলের ওপর হামলা হলে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, পাকিস্তানের ওই বার্তার পর মোসাদ কথিত পরিকল্পনা থেকে সরে আসে।
তবে ইসরাইল, পাকিস্তান কিংবা সংশ্লিষ্ট কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস।
What's Your Reaction?