ইসরায়েলি মন্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞার কারণ ব্যাখ্যা করল ফ্রান্স
ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের ওপর প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণ ব্যাখ্যা করেছে ফ্রান্স। গাজাগামী ত্রাণবহরের কর্মীদের নিয়ে তার আচরণ আন্তর্জাতিক সমালোচনার জন্ম দেওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। খবর আল-জাজিরার।
ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল ব্যারোট শনিবার এক্সে দেওয়া পোস্টে বলেন, আজ থেকে ইতামার বেন-গভির ফরাসি ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে পারবেন না।
কারণ হিসেবে তিনি বলেন, গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার ফরাসি ও ইউরোপীয় যাত্রীদের প্রতি তার নিন্দনীয় আচরণের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে বেন-গভির সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন, যেখানে গাজাগামী ত্রাণবহরের আটক কর্মীদের চোখ বাঁধা ও হাত বেঁধে মাটিতে হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে দেখা যায়। ভিডিওতে তাকে এ দৃশ্য নিয়ে বিদ্রূপ করতে দেখা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের নৌবাহিনী সাইপ্রাস উপকূলের আন্তর্জাতিক জলসীমায় ত্রাণবহরের জাহাজ আটক করে এবং প্রায় ৪৩০ জনকে হেফাজতে নেয়। পরে অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর ইতালি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, কানাডা ও স্পেনসহ কয়েকটি দেশ ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতদের তলব করে। তারা আটক ব্যক্তিদের স
ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের ওপর প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা আরোপের কারণ ব্যাখ্যা করেছে ফ্রান্স। গাজাগামী ত্রাণবহরের কর্মীদের নিয়ে তার আচরণ আন্তর্জাতিক সমালোচনার জন্ম দেওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। খবর আল-জাজিরার।
ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল ব্যারোট শনিবার এক্সে দেওয়া পোস্টে বলেন, আজ থেকে ইতামার বেন-গভির ফরাসি ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে পারবেন না।
কারণ হিসেবে তিনি বলেন, গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার ফরাসি ও ইউরোপীয় যাত্রীদের প্রতি তার নিন্দনীয় আচরণের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে বেন-গভির সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন, যেখানে গাজাগামী ত্রাণবহরের আটক কর্মীদের চোখ বাঁধা ও হাত বেঁধে মাটিতে হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে দেখা যায়। ভিডিওতে তাকে এ দৃশ্য নিয়ে বিদ্রূপ করতে দেখা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের নৌবাহিনী সাইপ্রাস উপকূলের আন্তর্জাতিক জলসীমায় ত্রাণবহরের জাহাজ আটক করে এবং প্রায় ৪৩০ জনকে হেফাজতে নেয়। পরে অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর ইতালি, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, কানাডা ও স্পেনসহ কয়েকটি দেশ ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতদের তলব করে। তারা আটক ব্যক্তিদের সঙ্গে আচরণকে অগ্রহণযোগ্য এবং মানবিক মর্যাদার লঙ্ঘন বলে নিন্দা জানায়।
ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, কোনো সরকারি কর্মকর্তার মাধ্যমে ফরাসি নাগরিকদের ভয়ভীতি দেখানো বা সহিংস আচরণ আমরা মেনে নিতে পারি না।
তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নকেও বেন-গভিরের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছেন।