ইসরায়েলের হাইফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ভবন ধ্বংস
ইসরায়েল এর উত্তরাঞ্চলীয় শহর হাইফাতে ইরানের সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।
ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলায় একটি আবাসিক ভবন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এছাড়া দেশটির জরুরি চিকিৎসা সেবার বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, এ ঘটনায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।
ঘটনার পর এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এদিকে ফ্রান্স জানিয়েছে, ইসরায়েলকে তারা কোনো আক্রমণাত্মক অস্ত্র সরবরাহ করছে না। বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কোনো অস্ত্র দেওয়া হচ্ছে না। রোববার প্রেসটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ফরাসি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ক্যাথরিন ভোত্রাঁ এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে বলেন, “না, ফ্রান্স ইসরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহ করছে না।” তবে তিনি উল্লেখ করেন, ফ্রান্স কিছু উপাদান বিক্রির অনুমতি দিয়েছে, যা বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়। যেমন, আয়রন ডোমে ব্যবহারের জন্য প্রজেক্টাইল। সে সঙ্গে কিছু সরঞ্জাম রয়েছে যার একটি অংশ ফরা
ইসরায়েল এর উত্তরাঞ্চলীয় শহর হাইফাতে ইরানের সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।
ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলায় একটি আবাসিক ভবন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এছাড়া দেশটির জরুরি চিকিৎসা সেবার বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, এ ঘটনায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।
ঘটনার পর এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এদিকে ফ্রান্স জানিয়েছে, ইসরায়েলকে তারা কোনো আক্রমণাত্মক অস্ত্র সরবরাহ করছে না। বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কোনো অস্ত্র দেওয়া হচ্ছে না। রোববার প্রেসটিভির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ফরাসি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ক্যাথরিন ভোত্রাঁ এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে বলেন, “না, ফ্রান্স ইসরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহ করছে না।” তবে তিনি উল্লেখ করেন, ফ্রান্স কিছু উপাদান বিক্রির অনুমতি দিয়েছে, যা বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়। যেমন, আয়রন ডোমে ব্যবহারের জন্য প্রজেক্টাইল। সে সঙ্গে কিছু সরঞ্জাম রয়েছে যার একটি অংশ ফরাসি সশস্ত্র বাহিনীর প্রয়োজনেও ব্যবহৃত হয়।
এর কয়েকদিন আগেই ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পক্ষ নিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো আগ্রাসনে অংশ নেবে না ফ্রান্স।